সখিপুর
,
সংবাদ দাতা
টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও শিল্পপতি লাবিব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা আয়-ব্যয় ও সম্পত্তির তথ্য বিবরণী হলফনামায় নিজের বিরুদ্ধে থাকা দুটি মামলার তথ্য উল্লেখ করেছেন। হলফনামা অনুযায়ী, একটি মামলা খারিজ হয়েছে এবং অপর মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। তিনি স্নাতক পাস এবং পেশায় ব্যবসায়ী। নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য তিনি অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডার নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন—এ তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের বার্ষিক আয়ের বড় অংশ আসে বাড়িভাড়া, শেয়ার ও ব্যবসা খাত থেকে। তিনি বাড়িভাড়া থেকে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, শেয়ার ও সঞ্চয়পত্র থেকে ৩ কোটি ৯০ লাখ ৪১ হাজার ৬২১ টাকা, নিজস্ব ব্যবসা থেকে সম্মানী বাবদ ২ কোটি ৯৬ লাখ ১৬ হাজার টাকা এবং ব্যাংকের বোর্ড মিটিং থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন।
অস্থাবর সম্পদের হিসাবে নিজের নামে তার রয়েছে ১২ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি নগদ অর্থ, ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩১ লাখ টাকার বেশি, বন্ড ও কোম্পানি শেয়ারে বিনিয়োগের বর্তমান মূল্য ৭০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এছাড়া তার রয়েছে ৮০ তোলা স্বর্ণ (মূল্য প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা), ৭৯ লাখ টাকার বেশি ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ২০ লাখ টাকার আসবাবপত্র এবং ১টি পিস্তল ও ১টি শর্টগান। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বেশি।
স্ত্রীর নামে অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ৭ কোটি ২৯ লাখ টাকার বেশি নগদ অর্থ, ব্যাংকে জমা ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা, বন্ড ও শেয়ার ৪৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা, ৩ কোটি ২২ লাখ টাকার একটি গাড়ি এবং ৮০ ভরি স্বর্ণ ও ৪ সেট হীরা, যার মূল্য ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
স্থাবর সম্পদের হিসাবে, নিজের নামে তার রয়েছে ৫৪৬ শতাংশ কৃষিজমি, ৩০৮৮ শতাংশের বেশি অকৃষিজমি, ঢাকার বারিধারা ও টাঙ্গাইলের সখীপুরে দুটি বাড়ি, পাশাপাশি ঢাকায় আরও তিনটি বাড়ি। এসব সম্পদের মোট মূল্য কয়েক দশক কোটি টাকা। স্ত্রীর নামেও রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কৃষিজমি, অকৃষিজমি ও ঢাকায় সাতটি বাড়ি।
হলফনামা অনুযায়ী, অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদ মিলিয়ে সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল ও তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা সম্পদের পরিমাণ শতাধিক কোটি টাকা। চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৩ কোটি ১৪ লাখ ৪৯ হাজার ২১৭ টাকা, আর তাঁর স্ত্রী দিয়েছেন ৩ কোটি ৩ লাখ ৩১ হাজার ২৪১ টাকা।











