খবরবাংলা ডেস্ক :
সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষায় ভুয়া ও প্রক্সি পরীক্ষার্থী ঠেকাতে বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণসহ ১২টি নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এ বিষয়ে সব সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে অফিস স্মারক পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চাকরির আবেদনে এক মাসের মধ্যে তোলা রঙিন ছবি ব্যবহার করতে হবে। লিখিত পরীক্ষার আগে আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় প্রার্থীর ছবি ও পরিচয়পত্রের তথ্য মিলিয়ে দেখতে হবে।
পরীক্ষাকেন্দ্রে ব্যাগ, বই বা কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো প্রার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
প্রবেশপত্র ও হাজিরা শিটের ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর চেহারা ও অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্ভব হলে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব প্রার্থীর ছবি তুলতে হবে এবং পরবর্তী ধাপগুলোতে সেই ছবি মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।
মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রার্থীর উত্তরপত্রের সঙ্গে হাতের লেখার সাদৃশ্যও যাচাই করতে বলা হয়েছে। নির্বাচিত প্রার্থী চাকরিতে যোগদানের সময় আগের ছবি ও পরিচয় যাচাই করে যোগদানপত্র দিতে হবে।
এ ছাড়া নিয়োগ পরীক্ষার আগে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল কোর্ট বা সামারি ট্রায়ালের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কোনো ভুয়া বা প্রক্সি পরীক্ষার্থী শনাক্ত হলে তার বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলকভাবে মোবাইল কোর্ট, সামারি ট্রায়াল অথবা নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রক্সি পরীক্ষার্থী ঠেকাতে বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণসহ প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা থেকে চাকরিতে যোগদান পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে একই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করাই এসব নির্দেশনার মূল লক্ষ্য।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











