খবরবাংলা ডেস্ক :
বরেণ্য অভিনেত্রী দিলারা জামানের বাড়ি দখল হয়ে যাওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয় নানা আলোচনা। তার নামে ছড়িয়ে পড়া একটি ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, ধারদেনা করে নির্মাণ করা বাড়ি ভাড়া দেওয়ার পর ভাড়াটিয়ারা সেটি দখল করে নিয়েছেন।
এমন খবরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন অভিনেত্রীর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তবে বিষয়টি জানতে পেরে বিস্মিত হওয়ার পাশাপাশি বিরক্তিও প্রকাশ করেছেন দিলারা জামান। তার দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যটি তার বর্তমান জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এটি প্রায় দুই যুগ আগের একটি ঘটনা।
বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দিলারা জামান বলেন, একটু যাচাই-বাছাই ও কথা বলে তথ্য প্রকাশ করা উচিত। হঠাৎ করে পুরোনো একটি বিষয় নতুন করে ছড়িয়ে পড়ায় তিনি নিজেও অবাক হয়েছেন।
অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ি দখলের ঘটনা একেবারেই ঘটেনি—বিষয়টি এমন নয়। তবে ঘটনাটি প্রায় ২২ থেকে ২৩ বছর আগের।
দিলারা জামান জানান, ২০০৩-২০০৪ সালের দিকে তিনি ঢাকার শ্যামলী এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানে ছিল তার পৈতৃক বাড়ি। বাবার কাছ থেকে পাওয়া ওই বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে থাকতেন তিনি।
একপর্যায়ে বাড়িটি দখলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। সে সময় বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নড়েচড়ে বসার পরিস্থিতি তৈরি হয়। এরপর বাড়ি দখলের সেই চেষ্টা আর এগোয়নি বলে জানান অভিনেত্রী।
তবে বর্তমানে শ্যামলীর ওই বাড়িটি আর তার মালিকানায় নেই। পরবর্তী সময়ে তিনি বাড়িটি বিক্রি করে দেন।
দিলারা জামান জানান, ২০০৮ সালে পরিবার নিয়ে তিনি উত্তরা এলাকায় চলে আসেন। সেখানে ১ হাজার ৬০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কিনে বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে সেখানেই তার স্থায়ী বসবাস।
দেশের বাইরে থাকা দুই মেয়ের কাছে মাঝে মাঝে গেলেও বর্তমানে আগের মতো বিদেশে যাওয়া হয় না বলেও জানান এই অভিনেত্রী। অভিনয় নিয়েই তার ব্যস্ততা বেশি এবং উত্তরার নিজের ফ্ল্যাটেই তিনি থাকছেন।
প্রায় দুই যুগ আগের একটি ঘটনা এত বছর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ছড়িয়ে পড়ায় প্রশ্ন তুলেছেন দিলারা জামান। কেন বা কারা পুরোনো তথ্যটি নতুন করে প্রচার করছেন, তা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তিনি।
অভিনেত্রীর মতে, তার বর্তমান জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন একটি পুরোনো ঘটনাকে নতুন খবর হিসেবে উপস্থাপন করায় মানুষের মধ্যে অযথা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











