১১ দলের ঢাকা-রংপুর লং মার্চে কোনো বাধা নেই, তারপরও জনগণের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া মিলছে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নিজের যাচাইকৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে একই দিন প্রকাশিত প্রতিবেদনে ছয় দফা থেকে আট দফায় দাবির পরিবর্তন নিয়ে তাঁর প্রশ্ন তোলার কথাও উঠে এসেছে।
রাশেদ খান লেখেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির এর আগে এক লং মার্চে বলেছিলেন, জাতির প্রয়োজনে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। আজকের লং মার্চ থেকে আবার বলা হয়েছে, জাতির প্রয়োজনে আট দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। এ পরিবর্তন কীভাবে হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, যে নেতা দাবিদাওয়া নির্ধারণ করতে পারেন না, তিনি শুধু জামায়াতের সমর্থকদের নেতা হতে পারেন, সমগ্র জাতির নেতা হতে পারেন না—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।
লং মার্চে জনগণের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খান। তিনি দাবি করেন, ছুটির দিনে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টির আয়োজিত একটি কর্মসূচিতে উপস্থিতি দেখে লং মার্চে জনগণের সাড়া কেমন হতে পারে, তা কিছুটা বোঝা গেছে। সেখানে নেতাকর্মীদের তুলনায় সাংবাদিকদের উপস্থিতি বেশি ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান আরও প্রশ্ন তোলেন, কোনো বাধা না থাকার পরও কেন জনগণের পক্ষ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না এবং এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি কোনো অনুসন্ধান করেছে কি না।
এর আগে শুক্রবার রংপুরে এক অনুষ্ঠানে ১১ দলের ঢাকা-রংপুর লং মার্চকে ‘লং ড্রাইভ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন রাশেদ খান। তিনি কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের সমর্থন নেই বলে দাবি করেছিলেন।
শনিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ শুরু হয়। আয়োজকদের ঘোষিত বিভিন্ন দাবির মধ্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসনের মতো বিষয় রয়েছে।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











