বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
Khabar Bangla 24
No Result
View All Result
  • Login
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • অন্যান্য
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • দুর্যোগ ও দুর্ঘটনা
    • প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ
    • সংস্কৃতি ও বিনোদন
    • আইন আদালত
    • কৃষি ও কৃষক
    • সারাদেশ
  • টাঙ্গাইল জেলা
    • কালিহাতী
    • গোপালপুর
    • ঘাটাইল
    • টাঙ্গাইল সদর
    • দেলদুয়ার
    • ধনবাড়ী
    • নাগরপুর
    • বাসাইল
    • ভূঞাপুর
    • মধুপুর
    • মির্জাপুর
    • সখিপুর
আর্কাইভ
Khabar Bangla 24
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • অন্যান্য
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • দুর্যোগ ও দুর্ঘটনা
    • প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ
    • সংস্কৃতি ও বিনোদন
    • আইন আদালত
    • কৃষি ও কৃষক
    • সারাদেশ
  • টাঙ্গাইল জেলা
    • কালিহাতী
    • গোপালপুর
    • ঘাটাইল
    • টাঙ্গাইল সদর
    • দেলদুয়ার
    • ধনবাড়ী
    • নাগরপুর
    • বাসাইল
    • ভূঞাপুর
    • মধুপুর
    • মির্জাপুর
    • সখিপুর
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Khabar Bangla 24
Home অপরাধ ও দুর্নীতি

মাদক পরীক্ষা ছাড়াই সাজা, প্রশ্নের মুখে আইনের শাসন

অক্টোবর ২৮, ২০২৬ — কার্তিক ১৩, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ১:৩৩ অপরাহ্ণ
in অপরাধ ও দুর্নীতি, জাতীয়
A A
মাদক পরীক্ষা ছাড়াই সাজা, প্রশ্নের মুখে আইনের শাসন

মাদক পরীক্ষা ছাড়াই সাজা, প্রশ্নের মুখে আইনের শাসন

প্রতিবেদন:
বিশেষ প্রতিনিধি:

অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কাউকে শাস্তি দেওয়া ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অথচ রাজধানীর ভাটারা থানার পুলিশ হাউজিং-১ আবাসিক এলাকার একটি বাড়িতে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানের পর ৮৫ জনকে মাদক গ্রহণের অভিযোগে কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, নাগরিক অধিকার এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাদক গ্রহণের অভিযোগ যাচাইয়ে কোনো চিকিৎসাগত বা রাসায়নিক পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। বাড়িটি পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, অতিরিক্ত ডিআইজির ভাড়া দেওয়া বলে জানা গেছে। সেখানে উপস্থিত এক বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর বাবা একটি জাতীয় দৈনিককে জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে একটি সংগীতানুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র বাজানোর কাজ পেয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকেও মাদক গ্রহণের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর আশা প্রধানমন্ত্রীর

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে নভেম্বরে? যা জানালেন প্রতিমন্ত্রী

ঘটনাটি শুধু অভিযানের যৌক্তিকতা নয়, বরং অভিযোগ নির্ধারণ, অপরাধ প্রমাণ এবং শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও সাংবিধানিক সুরক্ষা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও সামনে এনেছে।

বাংলাদেশের সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইনের আশ্রয় লাভ এবং আইনানুযায়ী আচরণ পাওয়ার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার। একই সঙ্গে আইনানুযায়ী ব্যতীত কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি করা যাবে না।

এ ছাড়া সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদে আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা থেকে কাউকে বঞ্চিত না করার নিশ্চয়তা রয়েছে। ৩৩ অনুচ্ছেদে গ্রেপ্তার ও আটক-সংক্রান্ত সুরক্ষার বিধান দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ৩৫ অনুচ্ছেদে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।

ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার একটি প্রতিষ্ঠিত নীতি হলো, অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী হিসেবে গণ্য করা যায় না। ফলে কোনো স্থানে উপস্থিত থাকা কিংবা কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করা যায় না। প্রত্যেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা যাচাই করা জরুরি।

৮৫ জনকে একই অভিযানে আটক করে মাদক গ্রহণের অভিযোগে সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে এসব সাংবিধানিক ও আইনি সুরক্ষা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন, ২০০৯-এর আওতায় নির্ধারিত শর্তে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক বিচার পরিচালনার সুযোগ রয়েছে। তবে এই ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রেও আইনের নির্ধারিত সীমা, বিচারিক পদ্ধতি এবং অপরাধের উপাদান পূরণ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বিভিন্ন ধরনের মাদকসংক্রান্ত অপরাধের জন্য পৃথক বিধান রয়েছে। কোনো ব্যক্তি মাদক সেবন করেছেন—এমন অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ঘটনার ধরন, প্রযোজ্য আইনের বিধান এবং উপলব্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণ বিবেচনা করা প্রয়োজন। পরিস্থিতি অনুযায়ী চিকিৎসাগত পরীক্ষা, রাসায়নিক বিশ্লেষণ কিংবা অন্যান্য গ্রহণযোগ্য প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে সব ধরনের মাদকসংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসাগত বা রাসায়নিক পরীক্ষা আইনত বাধ্যতামূলক কি না, তা সংশ্লিষ্ট অপরাধের প্রকৃতি ও প্রযোজ্য আইনের বিধান দেখে নির্ধারণ করতে হবে। একইভাবে, পরীক্ষা করা হয়নি বলেই কোনো ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দণ্ডাদেশ অবৈধ হয়ে যায়—এমন সিদ্ধান্তেও পৌঁছানো যায় না। মূল প্রশ্ন হলো, অভিযোগ প্রমাণে আইনসম্মত ও পর্যাপ্ত প্রমাণ ছিল কি না এবং বিচারপ্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না।

তাই আলোচিত ঘটনায় কী ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছিল, কোন আইনি বিধানে সাজা দেওয়া হয়েছে, কী সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছিল এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত তার এখতিয়ারের মধ্যে থেকে বিচার করেছেন কি না—এসব বিষয় স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

কোনো বাড়ি, অনুষ্ঠান কিংবা জমায়েতে উপস্থিত থাকলেই একজন ব্যক্তি সেখানে সংঘটিত সম্ভাব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত হয়ে যান না। কোনো স্থানে মাদক সেবনের ঘটনা ঘটে থাকলেও প্রত্যেক উপস্থিত ব্যক্তি মাদক গ্রহণ করেছেন বা অপরাধে সহযোগিতা করেছেন—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে ব্যক্তিভিত্তিক তথ্য ও প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন।

বিশেষ করে, একই ঘটনায় বহু ব্যক্তিকে একসঙ্গে সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি, সংশ্লিষ্টতার ধরন এবং প্রমাণের পর্যাপ্ততা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগের প্রকৃতি ও প্রমাণের মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকলে বিচারপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

এ ঘটনায় বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর বাবার বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর ছেলে সেখানে সংগীত পরিবেশনের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছিলেন। বক্তব্যটি সত্য হলে তাঁর উপস্থিতির কারণ, সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানের প্রকৃতি এবং মাদক গ্রহণের অভিযোগের পক্ষে কী প্রমাণ ছিল, তা যাচাই করা প্রয়োজন। পেশাগত কাজে কোনো স্থানে যাতায়াতের কারণে কাউকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।

অভিযান পরিচালিত বাড়িটি একজন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তার ভাড়া দেওয়া বলে সংবাদমাধ্যমে যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, সেটিও ঘটনাটির প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু বাড়ির মালিকানার তথ্য থেকে কোনো অনিয়ম বা ক্ষমতার অপব্যবহারের সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। বরং অভিযানের পরিকল্পনা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা, আটক করার কারণ এবং পরবর্তী বিচারপ্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্ব অপরাধ প্রতিরোধ করা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা। একই সঙ্গে অভিযান পরিচালনার সময় নাগরিকের অধিকার রক্ষা, ক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার এবং আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাও তাদের দায়িত্বের অংশ।

যদি তদন্তে দেখা যায়, যথাযথ যাচাই ছাড়াই কাউকে আটক করা হয়েছে কিংবা পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়া সাজা দেওয়া হয়েছে, তাহলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন। বিপরীতে, অভিযোগের পক্ষে আইনসম্মত প্রমাণ থাকলে সেটিও যথাযথ প্রক্রিয়ায় মূল্যায়ন করতে হবে।

ঘটনাটির প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় কয়েকটি পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমত, নিরপেক্ষ তদন্ত: ৮৫ জনকে আটক, অভিযোগ গঠন এবং সাজা প্রদানের পুরো প্রক্রিয়া পর্যালোচনার জন্য উপযুক্ত স্বাধীন তদন্তের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী বিচারিক তদন্তের উদ্যোগও বিবেচনা করা যেতে পারে। তদন্তে অভিযানের নথি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের আদেশ, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

দ্বিতীয়ত, প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার: মাদকসংক্রান্ত অভিযোগে অপরাধের ধরন অনুযায়ী আইনসম্মত ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ সংগ্রহ এবং মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে চিকিৎসাগত বা পরীক্ষাগারভিত্তিক বিশ্লেষণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। কেবল অনুমান, সন্দেহ কিংবা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার ভিত্তিতে কাউকে শাস্তি দেওয়া উচিত নয়।

তৃতীয়ত, দণ্ডাদেশ পর্যালোচনা ও আইনি প্রতিকার: কোনো দণ্ডাদেশে আইনগত ত্রুটি, এখতিয়ারসংক্রান্ত সমস্যা কিংবা প্রমাণের গুরুতর ঘাটতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইন অনুযায়ী প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। দণ্ডাদেশের ধরন ও প্রযোজ্য আইনের ভিত্তিতে উপযুক্ত আদালতে আপিল, পর্যালোচনা বা অন্য আইনসম্মত প্রতিকারের পথ অনুসরণ করা যেতে পারে।

চতুর্থত, জবাবদিহি নিশ্চিত করা: অভিযানে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা এবং বিচারপ্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাই করতে হবে। কোনো অনিয়ম বা ক্ষমতার অপব্যবহার প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

পঞ্চমত, ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ: ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, আটক ব্যক্তিদের অধিকার, অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ এবং তাৎক্ষণিক বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও তদারকি জোরদার করা দরকার। একই সঙ্গে আটক ও দণ্ডাদেশ-সংক্রান্ত তথ্যের যথাযথ নথিবদ্ধকরণ এবং জবাবদিহির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইন প্রয়োগের লক্ষ্য শুধু অপরাধ নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। অপরাধের অভিযোগ উঠলে তার যথাযথ তদন্ত, নিরপেক্ষ বিচার এবং আইনসম্মত শাস্তি নিশ্চিত করতে হয়। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন অযথা আটক, হয়রানি বা শাস্তির শিকার না হন, সে বিষয়েও রাষ্ট্রকে সতর্ক থাকতে হয়।

রাজধানীর ভাটারার আলোচিত ঘটনাটি তাই কেবল একটি অভিযান কিংবা কয়েকজন ব্যক্তির সাজা পাওয়ার বিষয় নয়। এর সঙ্গে নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতা, প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং বিচারব্যবস্থার ওপর জনসাধারণের আস্থার প্রশ্ন জড়িত।

তবে প্রকাশিত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে কোনো আইন লঙ্ঘিত হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ, আদালতের আদেশ এবং প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি।

প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন, আইনগত ত্রুটি থাকলে তার প্রতিকার এবং দায়িত্বে অবহেলা বা ক্ষমতার অপব্যবহার প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই আইনের শাসন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বজায় রাখা সম্ভব।

ফটো কার্ড
শেয়ার করুন
Tags: ৮৫ জনের কারাদণ্ডআইনের শাসনডিবি পুলিশের অভিযাননাগরিক অধিকারবিচারপ্রক্রিয়াভাটারাভ্রাম্যমাণ আদালতমাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনমাদকবিরোধী অভিযান

বর্তমান প্রতিবেদনটির সাথে সম্পর্কিত

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর আশা প্রধানমন্ত্রীর

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর আশা প্রধানমন্ত্রীর

by নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ২৮, ২০২৬ — কার্তিক ১৩, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
0

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে...

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে নভেম্বরে? যা জানালেন প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে নভেম্বরে? যা জানালেন প্রতিমন্ত্রী

by নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ২৮, ২০২৬ — কার্তিক ১৩, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ৩:৩১ অপরাহ্ণ
0

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক। সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল)...

তানজিন তিশাকে আইনি নোটিশ, ফেসবুক পোস্ট সরানোর নির্দেশ

তানজিন তিশাকে আইনি নোটিশ, ফেসবুক পোস্ট সরানোর নির্দেশ

by নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ২৮, ২০২৬ — কার্তিক ১৩, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ১:১৫ অপরাহ্ণ
0

ফ্যাশন ডিজাইনার ও নারী উদ্যোক্তা সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরীর মানহানি, ভুল তথ্য প্রচার ও সাইবার হয়রানির অভিযোগে মডেল ও অভিনেত্রী তানজিন নাহার তিশাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে...

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ফাস্ট রিটেইলিংকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ফাস্ট রিটেইলিংকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

by নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ২৮, ২০২৬ — কার্তিক ১৩, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ১২:২৫ অপরাহ্ণ
0

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য জাপানের বিশ্বখ্যাত পোশাক প্রস্তুতকারক ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ইউনিক্লোর মূল কোম্পানি ফাস্ট রিটেইলিংয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ করে ম্যান-মেড...

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে জেটরো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে জেটরো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

by নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ২৮, ২০২৬ — কার্তিক ১৩, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
0

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের...

Next Post
আইসিসিবিতে দেশীয় আসবাবের বৃহৎ প্রদর্শনী, বিনামূল্যে প্রবেশ

আইসিসিবিতে দেশীয় আসবাবের বৃহৎ প্রদর্শনী, বিনামূল্যে প্রবেশ

সর্বেশষ

গাজীপুরে জঙ্গি নাটক: হাসিনাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে শুনানি ১৭ নভেম্বর

গাজীপুরে জঙ্গি নাটক: হাসিনাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে শুনানি ১৭ নভেম্বর

অক্টোবর ২৮, ২০২৬ — কার্তিক ১৩, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ৫:৫২ অপরাহ্ণ
স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৪৬, আহত ১৭৫

স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৪৬, আহত ১৭৫

অক্টোবর ২৮, ২০২৬ — কার্তিক ১৩, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ৫:৩১ অপরাহ্ণ
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর আশা প্রধানমন্ত্রীর

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর আশা প্রধানমন্ত্রীর

অক্টোবর ২৮, ২০২৬ — কার্তিক ১৩, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক অলক কুমার দাসের বাবার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সুসম্পন্ন হয়েছে

সাংবাদিক অলক কুমার দাসের বাবার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সুসম্পন্ন হয়েছে

অক্টোবর ২৮, ২০২৬ — কার্তিক ১৩, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ৪:১৪ অপরাহ্ণ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

অক্টোবর ২৮, ২০২৬ — কার্তিক ১৩, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ৪:০০ অপরাহ্ণ
Khabar Bangla 24

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
যোগাযোগ: ০১৯১১৪৫৯১৫১
ই-মেইল:
[email protected]

Design & Developed by Tangail Web Solutions

No Result
View All Result
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • অন্যান্য
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • দুর্যোগ ও দুর্ঘটনা
    • প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ
    • সংস্কৃতি ও বিনোদন
    • আইন আদালত
    • কৃষি ও কৃষক
    • সারাদেশ
  • টাঙ্গাইল জেলা
    • কালিহাতী
    • গোপালপুর
    • ঘাটাইল
    • টাঙ্গাইল সদর
    • দেলদুয়ার
    • ধনবাড়ী
    • নাগরপুর
    • বাসাইল
    • ভূঞাপুর
    • মধুপুর
    • মির্জাপুর
    • সখিপুর

Design & Developed by Tangail Web Solutions

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In