খবরবাংলা ডেস্ক :
বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা দিতে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। এ অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে মৌখিক সম্মতিও পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বর থেকেই নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন তুলতে পারেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। তবে কোনো কারণে প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত হলে নতুন বছরের শুরু থেকে নতুন স্কেলে বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও বেতন একসঙ্গে নাকি ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) হিসাব অনুযায়ী, ছয় মাসের বকেয়াসহ আগামী বছরের মে মাস পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে অতিরিক্ত ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা প্রয়োজন। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ২ হাজার ৫৩১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা এবং কলেজ পর্যায়ে ৭৩৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে।
মাউশি গত ১ নভেম্বর প্রয়োজনীয় অর্থের হিসাব মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠায়। এর ভিত্তিতে একই দিন অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নের জন্য চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন।
তবে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে অর্থ বিভাগের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে ডিসেম্বর থেকে নতুন কাঠামোতে বেতন দেওয়া সম্ভব হবে কি না, তা নির্ভর করছে চূড়ান্ত অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড়ের ওপর।
এদিকে নতুন পে স্কেল কার্যকরের সম্ভাবনার খবরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











