মো আজিজুল হক
,
নাগরপুর প্রতিনিধিঃ
যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া এলাকা সম্প্রতি পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. এরফান উদ্দিন।
পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের দুর্ভোগের খোঁজখবর নেন এবং ভাঙনকবলিত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নদীভাঙনের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শফিউর রহমান জোয়ার্দ্দার, সলিমাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন ভূঁইয়া, ইউপি সদস্য মো. শাহানুর ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়ায় তীব্র নদীভাঙন শুরু হয়েছে। এতে ২৯টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে একটি কুয়েতি মসজিদ, বসতবাড়ি, বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি ও অসংখ্য গাছপালা। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরও বহু বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রামীণ সড়ক ও স্থানীয় হাটবাজার। ভিটেমাটি হারিয়ে অনেক পরিবার আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে, আবার কেউ কেউ খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. এরফান উদ্দিন জানান, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী ভাঙন প্রতিরোধে পাঁচটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রকল্পগুলোর কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
এদিকে নদীভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাস।











