টাঙ্গাইল সদর
,
সংবাদ দাতা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপির মনোনীত দুই ভাই প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে তার ছোট ভাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম পিন্টু ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী এবং ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগ করেন।
অন্যদিকে, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবারই প্রথম টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাকে একাধিকবার মামলা ও গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হতে হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি প্রায় ৩৫০টি হয়রানিমূলক মামলা ও ১২ দফা কারাভোগের শিকার হন। এ সময় তিনি প্রায় পাঁচ বছর কারাগারে ছিলেন এবং টানা ৪৬ দিন রিমান্ডে ছিলেন।
এদিকে, মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সন্তোষে অবস্থিত ভাসানীর মাজারে তিনি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “মাওলানা ভাসানী ছিলেন টাঙ্গাইল সদরের সংসদ সদস্য এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে তিনি ধানের শীষ প্রতীক উপহার দিয়েছিলেন। সেই ঐতিহ্য ধারণ করেই আমি ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনী আচরণবিধি মেনেই আমরা প্রচারণা চালাচ্ছি। বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমান আমার ওপর যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়ন, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, ঐক্য, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মাধ্যমে একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চান তিনি। এজন্য তিনি সকলের দোয়া কামনা করেন।











