টাঙ্গাইল সদর সংবাদ দাতা
টাঙ্গাইলে বিভিন্ন সময়ে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ তামাকজাত পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকার ময়লার ভাগারে দেশি-বিদেশি সিগারেট, বিড়ি ও জর্দা ব্যবহারের অনুপযোগী করে মাটি চাপা দেওয়া হয়।
ঢাকা (পশ্চিম) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার ও ধ্বংসকরণ কমিটির আহ্বায়ক নির্ঝর আহমেদের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো এ ধরনের দৃষ্টান্তমূলক ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ধ্বংস কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন টাঙ্গাইল কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনার এবং ধ্বংসকরণ কমিটির সদস্য সচিব সুভাষ চন্দ্র বোস। তিনি জানান, আইন অনুযায়ী বাজেয়াপ্তকৃত অবৈধভাবে বাজারজাত তামাকজাত পণ্য এবং দীর্ঘদিন ধরে গুদামে পড়ে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত, পচা ও ব্যবহার অনুপযোগী পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাজস্ব সুরক্ষা ও ভ্যাট ফাঁকি রোধে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। দেশের রাজস্ব বৃদ্ধি এবং অবৈধ পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
ধ্বংসকরণ কর্মসূচিতে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পংকজ শর্মা, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তাপস চন্দ্র পাল, পুলিশ সদস্য, ফায়ার সার্ভিস ও টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া রাজস্ব কর্মকর্তা পুলক কান্তি দাশসহ কাস্টমস বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
কাস্টমস বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এদিন মোট ৪ লাখ ১৪ হাজার ৯৫ শলাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেট, ২৩ হাজার ৫০০ শলাকা বিড়ি এবং ৫৭ দশমিক ৬০ কেজি জর্দা ধ্বংস করা হয়েছে।
এর আগে সকালে টাঙ্গাইল কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ঢাকা (পশ্চিম) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার নির্ঝর আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এই উদ্যোগকে অবৈধ তামাকজাত পণ্যের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন অভিযান অব্যাহত থাকলে রাজস্ব ফাঁকি কমবে এবং বাজারে অবৈধ তামাকজাত পণ্যের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আসবে।











