সখিপুর
,
সংবাদ দাতা
টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় নিজের বিরুদ্ধে থাকা ১০টি মামলার তথ্য উল্লেখ করেছেন। হলফনামা অনুযায়ী, এর মধ্যে দুটি মামলা আদেশের অপেক্ষায় রয়েছে, একটি মামলা থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন এবং বাকি সাতটি মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। তিনি পেশায় একজন আইনজীবী হলেও আয়ের উৎসের ঘরে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য উল্লেখ করেননি।
অস্থাবর সম্পদের বিবরণে তিনি নিজের নামে নগদ ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেখিয়েছেন। ব্যাংকে জমার হিসাবে ঢাকা ব্যাংকে ৬ লাখ ২২ হাজার ১৪৬ টাকা এবং স্ত্রীর নামে অগ্রণী ব্যাংকে ৩ লাখ ২২ হাজার ১৩৩ টাকা রয়েছে। বন্ড ও শেয়ার হিসেবে তার রয়েছে ১১ লাখ ১৯ হাজার ৯১০ টাকা, আর স্ত্রীর নামে রয়েছে ১১ লাখ ৯৯৬ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী, তার নিজের নামে ৫৪ লাখ ২৭ হাজার ৮০০ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৮৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা স্থায়ী আমানত রয়েছে। এছাড়া তার রয়েছে একটি হার্ড জিপ (মূল্য ৪৩ লাখ টাকা) এবং একটি প্রাইভেটকার (মূল্য ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা)। তিনি নিজের নামে ১৫ ভরি স্বর্ণ (মূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা) এবং স্ত্রীর নামে ২১ ভরি স্বর্ণ থাকার তথ্য দিয়েছেন। ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। সব মিলিয়ে তার অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ১ কোটি ৭০ লাখ ৪০ হাজার টাকা, আর স্ত্রীর ১ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
স্থাবর সম্পদের হিসাবে, স্ত্রীর নামে কালিয়াকৈরে ৯২ শতাংশ কৃষিজমি, যার মূল্য ২৫ লাখ টাকা, এবং সখীপুরের ঘেচুয়ায় ২৬৩ শতাংশ জমি, যার মূল্য ৪০ লাখ ৯২ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ৩ কাঠা অকৃষি জমির ওপর জাইকা ভিলেজ রয়েছে, যার মূল্য ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। নিজের নামে ঢাকার বিজয়নগরে ২৫১৭ বর্গফুটের দুটি বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে, যার মূল্য ৩০ লাখ ৮৭ হাজার ৬০০ টাকা।
স্ত্রীর নামে ঢাকার গুলশানে ২৭৭০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট (মূল্য ৫০ লাখ টাকা) এবং বারিধারায় ৩১০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট (মূল্য ২ কোটি ১০ লাখ টাকা) থাকার তথ্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিজের নামে ১০ লাখ টাকার একটি ক্রেডিট কার্ড রয়েছে। স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন থেকে বর্তমান মূল্য দেখানো হয়েছে নিজের নামে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
দায় হিসেবে তিনি নিজের নামে ৫৬ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা উল্লেখ করেছেন। আয়কর বিবরণে দেখা যায়, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৭৭২ টাকা, আর তার স্ত্রী দিয়েছেন ৭ লাখ ৭৮ হাজার ২৮২ টাকা।











