মির্জাপুর সংবাদ দাতা
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই রাতে উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের দরানিপাড়া গ্রামে ১২-১৩ বছর বয়সী ছোট ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে একা ছিলেন ওই নারী। অভিযোগ রয়েছে, একই গ্রামের বাসিন্দা ও মালয়েশিয়া প্রবাসী আরিফ, জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করে তাকে মারধর ও ধর্ষণ করেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরদিন সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে বড় ছেলে বাড়িতে এসে মাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে প্রথমে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
স্বজনদের দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারী তার ওপর সংঘটিত নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।
এ ঘটনায় ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং গাজীপুরের কালিয়াকৈরে তার বাবার বাড়িতে দাফন সম্পন্ন হয়।
স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়ে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরেন স্বামী সাইদুল ইসলাম। তিনি অভিযুক্ত আরিফকে একমাত্র আসামি করে মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত আরিফকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











