মির্জাপুর
,
সংবাদ দাতা
টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর সম্পদ ও আয়ের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রার্থী হিসেবে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামায় জানা গেছে, তার ব্যক্তিগত সম্পদ ১৭ কোটি টাকা, যেখানে দেনার পরিমাণ ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪৪ হাজার ৭৫৬ টাকা। তাঁর বার্ষিক আয় ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ৭১২ টাকা।
তার স্ত্রী ফাতেমা আজাদের সম্পদ ২ কোটি ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪২ টাকা এবং বার্ষিক আয় ৯৯ লাখ ৩৫ হাজার ২৭৯ টাকা, যা থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তিনি আয়কর জমা দিয়েছেন ২৫ লাখ ২৬ হাজার ৫৫২ টাকা। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর চেয়ে তাঁর স্ত্রী ফাতেমার আয় অনেক বেশি।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি দ্বৈত নাগরিক নন, বর্তমান ঠিকানা ঢাকার ফার্মগেট মণিপুরি পাড়া, স্থায়ী ঠিকানা টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ত্রিমোহন গাড়াইল। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক এবং বয়স ৬১ বছরের বেশি। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। বিগত ২০১৩-২০২৪ সালের মধ্যে তার নামে তিনটি মামলা হয়েছিল, যা সবই খারিজ হয়েছে। পেশা ব্যবসা।
সম্পদের বিবরণ অনুযায়ী, আবুল কালামের নামে উত্তরা ও মণিপুরি পাড়ায় ৮টি অ্যাপার্টমেন্ট, বিভিন্ন ব্যাংকে নগদ অর্থ ৫৯ লাখ ৯৪ হাজার ১৪৭ টাকা, স্ত্রীর নামে ৭০ লাখ ৫১ হাজার ৮২৫ টাকা, ৫২ লাখ টাকার এফডিআর ও ডিপিএস, ২০ তোলা সোনা, ইলেকট্রনিক পণ্য ২ লাখ ৫০ হাজার এবং আসবাবপত্রের মূল্য ২ লাখ ২০ হাজার টাকা রয়েছে। এছাড়া তাঁর কাছে একটি আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) এবং উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ১১১ শতক জমি রয়েছে।
ফাতেমা আজাদের কাছে ৫০ ভরি সোনা, ১৮০০ সিসির একটি জিপ (মূল্য ২৭ লাখ টাকা), ৩২.৫ শতক অকৃষিজমি, এবং ব্যাংকে ৫৬ লাখ টাকার এফডিআর ও ডিপিএস আছে। আবুল কালামের নামে থাকা সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ১২ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার ২৪৪ টাকা, এবং স্ত্রীর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ২ কোটি ৩৮ লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ টাকা।
আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, আবুল কালামের বার্ষিক আয় ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ৭১২ টাকা এবং তিনি আয়কর দিয়েছেন ১০ লাখ ৯২ হাজার ২০৫ টাকা, আর ফাতেমা আজাদের বার্ষিক আয় ৯৯ লাখ ৩৫ হাজার ২৭৯ টাকা, আয়কর জমা ২৫ লাখ ২৬ হাজার ৫৫২ টাকা।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশুবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী পূর্বে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে মির্জাপুর আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৪ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। আপিলের সময় ৫-৯ জানুয়ারি, আপিল নিষ্পত্তি ১০-১৮ জানুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি, এবং নির্বাচনী প্রচার চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।











