খবর বাংলা ডেস্ক :
আগামী ৩০ এপ্রিল জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশন শেষ হওয়ার পরপরই সারা দেশে মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সমন্বিত সাঁড়াশি অভিযানে নামছে সরকার। যুবসমাজকে রক্ষা করতে এই অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা আজ সোমবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক রাজধানীর অভিজাত এলাকায় আবাসিক ভবনে অবৈধ ‘সিসা লাউঞ্জ’ পরিচালনার বিষয়টি উত্থাপন করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারের এই কঠোর পরিকল্পনার কথা জানান।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও জিরো টলারেন্স স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “জাতির কাছে আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ৩০ এপ্রিলের পর সুসমন্বিত অভিযান শুরু হবে। যুবসমাজকে বাঁচাতে এর কোনো বিকল্প নেই।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে: ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার মদদে গুলশান, বনানী, ধানমণ্ডি ও উত্তরায় অবৈধ মাদক স্পট গড়ে উঠেছিল।
বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।
গত ১৬ ও ২০ এপ্রিল অভিযানে বিপুল পরিমাণ সিসা ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
প্রশাসনের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি অভিজাত এলাকায় ছদ্মবেশে বা ঠিকানা পরিবর্তন করে অবৈধ ব্যবসা বন্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। মন্ত্রী স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এসব অবৈধ ব্যবসায় মদদ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সিটি করপোরেশনের সমন্বয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্সবিহীন অবৈধ প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে বন্ধ করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।











