খবর বাংলা ডেস্ক :
নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে চিকিৎসাসেবায় অবহেলা, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের অনুপস্থিতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার তথ্য উঠে এসেছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। এছাড়া নবজাতকদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জরুরি সেবা নিশ্চিত করা হয়নি।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জন্মের পর নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক ছিল এবং তাদের বিশেষ চিকিৎসা বা ইনকিউবেটর সাপোর্টের প্রয়োজন ছিল না। তবে পরবর্তীতে হঠাৎ অবস্থার অবনতি ঘটলেও যথাযথ চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি দেখা যায়।
তদন্তে আরও বলা হয়েছে, হাসপাতালের কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পর্যাপ্ত তদারকির অভাব এবং প্রশাসনিক ত্রুটিও এ ঘটনার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এর আগে গত ৪ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা এক চিঠির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











