খবর বাংলা ডেস্ক :
রাগ, অভিমান, অবসাদ কিংবা আনন্দ—সব অনুভূতিকে এক কথায় প্রকাশ করার সহজ মাধ্যম হয়ে উঠেছে ইমোজি। আধুনিক ডিজিটাল জীবনে সব অনুভূতি মুখে প্রকাশ করা সম্ভব বা স্বাচ্ছন্দ্যের নয় বলেই আবেগ প্রকাশের জনপ্রিয় ভাষা এখন ইমোজি। কাজের ফাঁকে হঠাৎ প্রিয়জনের কথা মনে পড়লে কিংবা না বলা অনুভূতি জানাতে ইমোজিই হয়ে ওঠে ভরসা।
ব্যবহারকারীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে নিয়মিত নতুন নতুন ইমোজি যুক্ত করা হয় কিবোর্ডে। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরে যুক্ত হতে পারে মোট ৯টি নতুন ইমোজি। ইমোজিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত এই নতুন ইমোজিগুলোর মধ্যে দুটি বিশেষভাবে নজর কাড়ছে।
এর একটি হলো পিকল (Pickle)—যা সাধারণভাবে আচার বোঝালেও এখানে বিশেষভাবে মসলা বা ভিনেগারে সংরক্ষিত শসাকে নির্দেশ করছে। অপরটি হলো মিটিয়র বা উল্কাপিণ্ড (Meteor) ইমোজি।
এছাড়াও নতুন তালিকায় থাকছে—
-
কোঁচকানো চোখের হাসিমুখের ইমোজি
-
বামদিকে ঘোরানো বুড়ো আঙুল
-
ডানদিকে ঘোরানো বুড়ো আঙুল
-
লাইটহাউস বা বাতিঘর
-
মোনার্ক প্রজাপতি (কমলা, কালো ও সাদা রঙের)
-
ইরেজার
-
হাতলযুক্ত জাল (নেট)
মোনার্ক প্রজাপতি তার দীর্ঘ জীবনচক্র ও হাজার হাজার মাইল পরিযানের জন্য পরিচিত। ধারণা করা হচ্ছে, পিকল ও মোনার্ক প্রজাপতির ইমোজি ব্যবহারকারীদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে।
কবে থেকে ব্যবহার করা যাবে নতুন ইমোজি? বর্তমানে এই ইমোজিগুলো খসড়া পর্যায়ে রয়েছে। ইউনিকোড কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত অনুমোদনের পর স্যামসাং, অ্যাপল ও গুগলের মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে পাঠাবে। তাদের অনুমোদন মিললে তবেই ব্যবহারকারীদের কিবোর্ডে যুক্ত হবে এসব নতুন ইমোজি।
সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে স্মার্টফোন ও অন্যান্য ডিভাইসের কিবোর্ডে দেখা যেতে পারে এই ৯টি নতুন ইমোজি। তবে ব্যবহার করার আগে ইমোজির অর্থ না জেনে পাঠানো থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











