জরিমানার পরও মির্জাপুরে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রি মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবৈধভাবে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহের অভিযোগে এক লাখ টাকা জরিমানা করার পরও থামেনি মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের কার্যক্রম। সর্বশেষ গত ২৪ অক্টোবর স্টেশনটির মালিক ইব্রাহিম মিয়াকে ডেকে সতর্ক করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক। এরপরও গত ২৬ অক্টোবর রাতে ওই স্টেশন থেকে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাসে অবস্থিত মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনে কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে থাকা সিলিন্ডারে গ্যাস ভরার কার্যক্রম চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আগেও একইভাবে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এর আগে গত ১২ অক্টোবর অবৈধভাবে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেন মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তৌহিদ রেজা। এ সময় মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিক ইব্রাহিম মিয়াকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার পরদিন ১৩ অক্টোবর থেকেই আবারও কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়। দিনের বেলাতেও ফিলিং স্টেশন থেকে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস ভরতে দেখা গেছে বলে তাঁদের দাবি। অভিযোগ রয়েছে, কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে সারি সারি গ্যাস সিলিন্ডার রেখে সেগুলোতে ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। পরে এসব সিলিন্ডার বিভিন্ন কারখানায় ব্যবহারের জন্য নেওয়া হয়। এদিকে অভিযোগ ওঠার পর গত ২৪ অক্টোবর মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিক ইব্রাহিম মিয়াকে ডেকে নিয়ে সতর্ক করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক করার মাত্র দুই দিনের মাথায় পুনরায় একই ধরনের কার্যক্রমের অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, জরিমানা ও জেলা প্রশাসনের সতর্কতার পরও যদি একই কার্যক্রম চলতে থাকে, তাহলে এর পেছনে কারা রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি কতটা কার্যকর—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, অনুমোদন ছাড়া কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহের বিষয়টি শুধু আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ নয়, এটি জননিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে একটি কাভার্ড ভ্যানে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক গ্যাস সিলিন্ডার রাখা হলে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বড় হতে পারে। তবে এ বিষয়ে কারিগরি ঝুঁকি ও বিধিবিধান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। উল্লেখ্য, গত ১২ অক্টোবর গাজীপুরের জয়দেবপুর ও ভোটবাজার এলাকায় অবৈধভাবে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রির অভিযোগে চারটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে মির্জাপুরের মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়েও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের প্রশ্ন, একবার জরিমানা, এরপর জেলা প্রশাসকের সতর্কতা—তারপরও যদি একই কার্যক্রম চলে, তাহলে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোথায় ঘাটতি রয়েছে? মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিক ইব্রাহিম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, তাকে ডাকা হয়েছিল। এরপরও যদি একই কাজ করে তবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”মো.জাহাঙ্গীর হোসেন, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল ২৭.১০.২০২৬, ০১৭১১১১২৯২৮;
জেলা প্রশাসকের সতর্কতার পরও বন্ধ হয়নি মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের অবৈধ গ্যাস বিক্রি কার্যক্রম
জেলা প্রশাসকের সতর্কতার পরও বন্ধ হয়নি মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের অবৈধ গ্যাস বিক্রি কার্যক্রম
জরিমানার পরও মির্জাপুরে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রি মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবৈধভাবে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহের অভিযোগে এক লাখ টাকা জরিমানা করার পরও থামেনি মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের কার্যক্রম। সর্বশেষ গত ২৪ অক্টোবর স্টেশনটির মালিক ইব্রাহিম মিয়াকে ডেকে সতর্ক করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক। এরপরও গত ২৬ অক্টোবর রাতে ওই স্টেশন থেকে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাসে অবস্থিত মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনে কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে থাকা সিলিন্ডারে গ্যাস ভরার কার্যক্রম চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগেও একইভাবে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এর আগে গত ১২ অক্টোবর অবৈধভাবে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেন মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তৌহিদ রেজা।
এ সময় মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিক ইব্রাহিম মিয়াকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার পরদিন ১৩ অক্টোবর থেকেই আবারও কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়। দিনের বেলাতেও ফিলিং স্টেশন থেকে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস ভরতে দেখা গেছে বলে তাঁদের দাবি। অভিযোগ রয়েছে, কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে সারি সারি গ্যাস সিলিন্ডার রেখে সেগুলোতে ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। পরে এসব সিলিন্ডার বিভিন্ন কারখানায় ব্যবহারের জন্য নেওয়া হয়। এদিকে অভিযোগ ওঠার পর গত ২৪ অক্টোবর মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিক ইব্রাহিম মিয়াকে ডেকে নিয়ে সতর্ক করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক করার মাত্র দুই দিনের মাথায় পুনরায় একই ধরনের কার্যক্রমের অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, জরিমানা ও জেলা প্রশাসনের সতর্কতার পরও যদি একই কার্যক্রম চলতে থাকে, তাহলে এর পেছনে কারা রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি কতটা কার্যকর—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, অনুমোদন ছাড়া কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহের বিষয়টি শুধু আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ নয়, এটি জননিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে একটি কাভার্ড ভ্যানে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক গ্যাস সিলিন্ডার রাখা হলে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বড় হতে পারে। তবে এ বিষয়ে কারিগরি ঝুঁকি ও বিধিবিধান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। উল্লেখ্য, গত ১২ অক্টোবর গাজীপুরের জয়দেবপুর ও ভোটবাজার এলাকায় অবৈধভাবে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রির অভিযোগে চারটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে মির্জাপুরের মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়েও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের প্রশ্ন, একবার জরিমানা, এরপর জেলা প্রশাসকের সতর্কতা—তারপরও যদি একই কার্যক্রম চলে, তাহলে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোথায় ঘাটতি রয়েছে? মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিক ইব্রাহিম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, তাকে ডাকা হয়েছিল। এরপরও যদি একই কাজ করে তবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”মো.জাহাঙ্গীর হোসেন, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল ২৭.১০.২০২৬, ০১৭১১১১২৯২৮











