খবর বাংলা ডেস্ক :
এ বছর সারাদেশে শীতের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি। চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায়, যেখানে পারদ নেমেছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এমন ঠান্ডা আবহাওয়ায় নিয়মিত সকালবেলার হাঁটা বা দৌড় বজায় রাখা গেলেও প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে ঠান্ডার কারণে শরীরের তাপমাত্রা কমে যেতে পারে, পেশি শক্ত হয়ে যায় এবং পেশিতে খিঁচুনি বা আঘাতের ঝুঁকি বাড়ে। পাশাপাশি ঠান্ডা বাতাস গলা ও ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে হাঁপানি, এলার্জি বা সর্দি-কাশিতে ভোগা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে।
সকালে বাইরে বের হওয়ার আগে ঘরের ভেতরে হালকা স্ট্রেচিং, জাম্পিং জ্যাক বা কিছুক্ষণ দ্রুত হাঁটাহাঁটি করলে শরীর গরম হয় এবং পেশি নমনীয় থাকে। এতে চোটের ঝুঁকি অনেকটাই কমে।
শীতের সময় হালকা কিন্তু উষ্ণ পোশাক পরা জরুরি। কান, মাথা ও হাত ঢেকে রাখলে ঠান্ডা থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। খুব বেশি কুয়াশা বা শৈত্যপ্রবাহ থাকলে সূর্য ওঠার পর হাঁটা বা দৌড় করাই নিরাপদ।
শীতকালে বায়ুদূষণের মাত্রাও বাড়তে থাকে। তাই বাইরে বের হলে ভালো মানের মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। যাদের সর্দি, কাশি বা শ্বাসকষ্ট রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যায়াম করা নিরাপদ।
হাঁটা বা দৌড় শেষ করার পর হঠাৎ পোশাক পরিবর্তন না করে ৫ থেকে ১০ মিনিট শরীরকে স্বাভাবিকভাবে ঠান্ডা হতে দেওয়া ভালো। এতে হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তনের ঝুঁকি কমে।
শীতকালেও শরীর থেকে পানি কমে যায়। তাই হাঁটার আগে ও পরে পানি পান করা জরুরি। ব্যায়ামের পর প্রোটিনসমৃদ্ধ ও স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে শরীর দ্রুত শক্তি ফিরে পায়।
বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দিচ্ছেন—খুব ঠান্ডায় খালি পেটে হাঁটা বা দৌড় এড়িয়ে চলা, সূর্য ওঠার পর ব্যায়াম করা এবং হাঁটার শেষে হালকা স্ট্রেচিং করা। অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
তথ্য সূত্র : যমুনা টিভি











