খবর বাংলা ডেস্ক :
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামী দিনে দেশের মানুষের সমর্থনে আল্লাহর রহমতে সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশকে পুনর্গঠন করা। তিনি যোগ করেন, সকল দল-মত, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে দেশের মানুষকে নিয়ে পুনর্গঠন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে খুলনার খালিশপুর শিল্পাঞ্চলে প্রভাতী স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে শুধু কথার ফুলঝুরি নয়, বরং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত ১৫-১৬ বছরে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা খুন, গুম ও মামলা দিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্ট মাসে দেশের মানুষ দল-মত নির্বিশেষে রাজপথে নেমে স্বৈরাচারকে বিদায় দিয়েছে।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ভোটের অধিকার শুধু জাতীয় নির্বাচনে নয়, স্থানীয় নির্বাচনে থেকেও সীমিত হয়েছে। যে সব সময় মানুষ কথা বলার চেষ্টা করেছে, রাতের অন্ধকারে তাদেরকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ তাদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করবে।
তারেক রহমান অতীতের সরকারের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরে বলেন, ক্ষমতায় গেলে দেশের পুনর্গঠন করা হবে। তিনি বলেন, মানুষের মূল্যায়ন ও আত্মসম্মান যাদের কাছে নেই, তাদের হাতে দেশ নিরাপদ থাকবে না। দেশের প্রায় ২০ কোটি জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাই দেশের অগ্রগতির জন্য নারীদের শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন অপরিহার্য। তিনি স্মরণ করান, ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া স্কুল থেকে কলেজ পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করেছিলেন।
খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা। সঞ্চালনা করেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। জনসভায় অন্যান্য অতিথি ছিলেন খুলনা ও সাতক্ষীরা-বাগেরহাট এলাকার বিএনপি প্রার্থীরা।
জনসভা শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে। উল্লেখ্য, খুলনায় এটি তারেক রহমানের চতুর্থ সফর; এর আগে তিনি ২০০৪ সালে খুলনা সফর করেছিলেন।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











