খবর বাংলা ডেস্ক :
দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুই উৎসের একটি প্রবাসী আয় বাড়লেও পণ্য রফতানি খাতে নেতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে টানা পাঁচ মাস রফতানি কমার ফলে দেশের সামগ্রিক পণ্য রফতানি আয় কমেছে প্রায় ২ শতাংশ।
রফতানি সংশ্লিষ্টদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে পাল্টা শুল্ক আরোপের পর বাড়তি রফতানি আদেশ পাওয়ার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। বরং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশকে।
এ ছাড়া প্রতিবেশী ভারত বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করায় সেখানেও রফতানি কমেছে। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে ব্যাংক খাতে কড়াকড়ি নীতির কারণে অনেক রফতানিকারক অর্থসংকটে পড়েছেন, যা রফতানি কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এর মধ্যে আবার গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট, পাশাপাশি সেবা খাতে মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন ও ব্যবসা পরিচালনার খরচ বেড়ে গেছে। সব মিলিয়ে পণ্য রফতানি খাত এখন বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)–এর তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে বাংলাদেশ থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ২ হাজার ৪৫৩ কোটি মার্কিন ডলার।
অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে রফতানি আয় কমেছে প্রায় ৫৩ কোটি মার্কিন ডলার, যা শতাংশের হিসাবে ২ দশমিক ১৯ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে পণ্য রফতানিতে ২৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও, পরবর্তী পাঁচ মাসে ধারাবাহিকভাবে রফতানি কমেছে।
তথ্য সূত্র : যমুনা টিভি











