বিএনপি ঐকমত্য কমিশনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দিয়ে দলীয় ইশতেহার তৈরির কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকার তথ্য হালনাগাদের কাজও চলছে। জেলা-উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত সব কমিটি পুনর্গঠন করা হচ্ছে কাউন্সিলের মাধ্যমে।
দলীয় নেতাদের মতে, নির্বাচনকে শুধু আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে নয়, যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা বিবেচনা করে ধানের শীষের প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে।
নির্বাচনী প্রস্তুতির বিস্তারিত
-
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা হলেও রাজনৈতিক অঙ্গন এখনও উত্তপ্ত।
-
ফেব্রুয়ারিতে ভোটের সময় ঘোষণা করা হওয়ায় সাংগঠনিক গতিশীলতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
-
জেলা ও ইউনিয়নে কাউন্সিল ও কমিটি পুনর্গঠন চলছে।
-
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের যুব ও নতুন ভোটারদের আকৃষ্ট করতে প্রচারণা চালাচ্ছেন, স্লোগান: “তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের জন্য হোক”।
প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া
-
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অল্পদিনের মধ্যেই প্রার্থীতা বাছাই শুরু হবে।
-
জানুয়ারি-মে মাসে সারাদেশে অন্তত চারটি জরিপ পরিচালনা করেছে বিএনপি হাইকমাণ্ড।
-
প্রার্থী বাছাইয়ে শুধু আন্দোলনে ভূমিকা নয়, জনগণের প্রত্যাশা ও দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকেই প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
ইশতেহার প্রণয়নের পরিকল্পনা
-
স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দিয়ে ইশতেহার প্রণয়ণ করা হবে।
-
নাগরিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রতিটি শিশুর শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
-
সাব-কমিটি গঠন করে ৩১ দফার সমন্বয়ে নতুন ইশতেহার প্রণয়ন চলছে।
-
স্থায়ী কমিটির হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, জনপ্রিয়তা ও নির্বাচনী প্রতিযোগিতাও মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় গুরুত্ব পাবে।
ইতিহাস ও প্রতিশ্রুতি
-
২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি ১৯ দফার ইশতেহার ঘোষণা করেছিল।
-
২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ৩০টির বেশি প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছিল দলটি, যার মধ্যে কিছু পূরণ হয়নি, তবে নারীর আসন বৃদ্ধি, শিক্ষা ও কৃষিখাতের উন্নয়নসহ কিছু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়েছিল।