রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উৎপত্তিস্থল ছিল তিব্বতের শিগেৎসে শহর, ঢাকা থেকে যার দূরত্ব ৬১৮ কিলোমিটার।
এর আগে জানুয়ারিতেও মিয়ানমারের হোমালিন এলাকায় হওয়া মাঝারি ভূমিকম্প ঢাকায় অনুভূত হয়েছিল। পরপর দূর দেশের দুই ভূমিকম্প বাংলাদেশে স্পষ্টভাবে অনুভূত হওয়াকে বিশেষজ্ঞরা ঝুঁকির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা বলেন, আজকের ভূমিকম্পের মাত্রা আরও বেশি হলে দেশে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারতো। বাংলাদেশ ইন্ডিয়ান, ইউরেশিয়ান ও বার্মা প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থান করায় ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল—বিশেষ করে ডাউকি ফল্ট বড় ঝুঁকির কারণ।
তিনি জানান, মিয়ানমার, ভারত বা নেপালে বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে বাংলাদেশেও বড় প্রভাব পড়তে পারে। যদিও সহকারী অধ্যাপক ড. শাখাওয়াত হোসেনের মতে, বাংলাদেশ মাঝারি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ, তবে সমস্যা হলো—বিল্ডিং কোড যথাযথভাবে মানা হয় না।











