টাঙ্গাইল সদর সংবাদ দাতা
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে “উন্নত উপকরণ ও জ্বালানি প্রযুক্তি ক্ষেত্রে গবেষণা, প্রকাশনা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং উচ্চশিক্ষা” শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের ১২তম তলার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাভাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মুসা মিয়া।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটির বিশিষ্ট গবেষক এবং Research Center for Nano-Materials and Energy Technology (RCNMET)-এর প্রধান অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মাসুম হায়দার এবং স্বাগত বক্তব্য দেন সেমিনার কমিটির আহ্বায়ক ও বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুমল চন্দ্র।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বিশ্বে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। উন্নত উপকরণ ও জ্বালানি প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার ক্ষেত্র উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, মাভাবিপ্রবিকে গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রকাশনা বৃদ্ধি এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ কাজে লাগাতে শিক্ষার্থীদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর অন্তত একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া কার্যক্রমে আরও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া হবে।
সেমিনারে অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান উন্নত উপকরণ, জ্বালানি প্রযুক্তি, গবেষণা প্রকাশনা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা পাওয়ার কথা জানান।











