মো. জাহাঙ্গীর হোসেন
,
মির্জাপুর প্রতিনিধিঃ
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম বলেছেন, ‘সরকার বন্ধ থাকা কল কারখানা নতুন করে চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। টাঙ্গাইল কটন মিলও কোন প্রক্রিয়ায় চালু করা যায় তা খতিয়ে দেখছে।’ শনিবার সকালে মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চলে বন্ধ থাকা টাঙ্গাইল কটন মিল কারখানা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী এশতেহারে বন্ধ মিল কারখানা চালুর কথা বলা হয়েছিল। জনগণ আমাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারাদেশে বন্ধ কারখানা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ (পিপিপি) বা দেশী-বিদেশী যে প্রক্রিয়ায় হোক এসব কারখানা আবার চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করেছে। বিশেষ করে সোলারের বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যাতে দেশের ব্যবসায়ীরা এবং শিল্পপতিরা ইন্ডাষ্ট্রিগুলো ঠিকমত চালাতে পারেন। ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশে কারখানাটি জাতীয় করণ করা হয়। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বিটিএমসি দ্বারা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। এরপর থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ভাড়াসহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে কারখানাটি চালু থাকে। ১৯৯৮ সাল থেকে কারখানাটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে বলে তিনি জানান।
সকালে প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইল কটন মিলে পৌছালে সেখানে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তাকে স্বাগত জানান টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনের সাংসদ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।
এসময় সেখানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ, বিটিএমসির সচিব ও পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর প্রকল্প পরিচালক কাজী ফিরোজ হোসাইন, টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব, মির্জাপুর থানার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আরিফ, সহসভাপতি আলী এজাজ খান চৌধুরী রুবেল, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুল কাদের শিকদার, উপজেলা বিএনপির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন, গোড়াই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান জুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান স্বপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।











