বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে বাংলাদেশে। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় পদধারী নেতারা তাঁর জানাযা নামাজে উপস্থিত হতে পারে না পারলেও তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের (আইনজীবী) উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সহকর্মী এই জানায় অংশ গ্রহণ করেন।। এছাড়া বেশকিছু আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ কর্মী ও সমর্থককে এই জানাযায় উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। কালিহাতী, দেলদুয়ার ও বাসাইলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীও জানাযায় অংশ নিয়েছেন। তবে টাঙ্গাইলের সিদ্দিকী পরিবারের তিন ভাই এই জানাযায় উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে মুরাদ সিদ্দিকী একটু পেছনের দিকে থাকলেও আজাদ সিদ্দিকী ছিলেন সামনের কাতারে।
টাঙ্গাইল জেলা সদর হেলিপ্যাডে অনুষ্ঠিত প্রথম জানাযায় অংশ নেন টাঙ্গাইল এডভোকেট বার সমিতির বর্তমান সভাপতি মো. মোনায়েম হোসেন খান আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান ওরফে স্বপন, সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান ওরফে আলো, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন সিকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. শামছুদ্দিন আহমেদ, সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর এস আকবর খান, এড. আনিসুর রহমান হুমায়ূন সহ অন্যান্য আইনজীবীগণ। এই জানাযায় আরো অংশ নেন সাদৎ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক জিএস ও মরহুমের স্ত্রীর বড় ভাই সোহরাব হোসেন খান আরজু, কালিহাতী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী ও তার বড় ভাই মুরাদ সিদ্দিকী।
মরহুমের নিজ এলাকা সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বেরবাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজায় অংশ নেন কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, বাসাইল সদর সোহানুর রহমান সোহেল, দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনসার আলী আসিফ, যাদবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও নিহতের ছোট ভাই একে এম আতিকুর রহমান আতোয়ার, হাতিবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিন হোসেন, হাতিবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন আহমেদসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা।
উল্লেখ্য-
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) জোয়াহেরুল ইসলামের (ভিপি জোয়াহের)। রাতে বেনাপোল-পেট্রোপোল শূন্যরেখায় তার মরদেহ ভারতীয় অ্যাম্বুলেন্স থেকে বাংলাদেশি একটি ফ্রিজিং লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে তুলে নেওয়া হয়। সেই ফ্রিজিং লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে করে সকাল সাতটার দিকে টাঙ্গাইল শহরের ছোট কালিবাড়ী এলাকায় নিজ বাসভবনে এসে পৌঁছায়।
পরে জানাজা নামাজের জন্য বেলা ১২টায় জেলা সদর হেলিপ্যাডে নেয়া হয়। দ্বিতীয় জানাযা শেষে তাকে সামাজিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।











