নিজস্ব প্রতিবেদক :
আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ইউরোপের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ সান ম্যারিনোকে হারিয়ে এক অভূতপূর্ব ও নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ইউরোপিয়ান দলটিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে মাঠ ছাড়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। দলের এই ঐতিহাসিক জয়ে ত্রাণকর্তা হিসেবে জোড়া গোল করে অবতীর্ণ হন দেশসেরা ডিফেন্ডার তপু বর্মণ।
ম্যাচের শুরুতেই তপুর ম্যাজিক ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বাংলাদেশ দল। টিকিটাকা স্টাইলের পাসিং ফুটবলে প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করে ফেলে তারা। ফলশ্রুতিতে ম্যাচের ১৯ মিনিটেই গোলের দেখা পায় দল। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে বক্সের ভেতর দুর্দান্ত এক হেডে সান ম্যারিনোর জাল কাঁপান তপু বর্মণ। তার এই নান্দনিক গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে চালকের আসনে বসে বাংলাদেশ।
রক্ষণের ভুলে সমতা, অতঃপর নাটকীয় জয় ম্যাচে লিড নিলেও প্রথমার্ধের শেষের দিকে রক্ষণের কিছুটা মনোযোগহীনতার সুযোগ নেয় সান ম্যারিনো। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল পরিশোধ করে ম্যাচে ১-১ সমতায় ফেরে ইউরোপের দলটি।
তবে বিরতির পর কৌশল বদলে আরও চড়াও হয়ে খেলতে থাকে টমাস ডুলির শিষ্যরা। পুরো ম্যাচে বাংলাদেশ দল মোট ৩১৪টি পাস খেলে, যার মধ্যে ৭৭.৭ শতাংশ পাসই ছিল সম্পূর্ণ সফল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে যখন খেলা ড্রয়ের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই ফ্রি-কিক থেকে বল পেয়ে সান ম্যারিনোর ডি-বক্সে আবারও নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান তপু বর্মন।
তার এই নাটকীয় গোলের ওপর ভর করেই ২-১ ব্যবধানের অবিস্মরণীয় জয় নিশ্চিত করে উল্লাসে মেতে ওঠে বাংলাদেশ দল। ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের এই জয় দেশের ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করল।











