খবর বাংলা ডেস্ক :
কুয়েত আমিরি দিওয়ানবিষয়ক মন্ত্রী শেখ হামাদ জাবের আল-আলী আল-সাবাহ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পর্যালোচনা করা হয় এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি, প্রতিরক্ষা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।
এ সময় শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উভয় দেশ একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশ ও কুয়েতের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন, বিশেষ করে ১৯৭৪ সালে বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের একীভূতকরণে কুয়েতের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বাংলাদেশ থেকে ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য ও সিরামিক পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা তুলে ধরেন এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাই-টেক পার্কে কুয়েতি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি হিসেবে প্রকৌশলী, চিকিৎসক, আইটি বিশেষজ্ঞ ও নার্সদের জন্য বাংলাদেশের সক্ষমতার কথাও উল্লেখ করেন।
কুয়েতের মন্ত্রী বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদানের প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি ১৯৯১ সালের কুয়েত মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার কথাও স্মরণ করেন এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











