খবরবাংলা ডেস্ক :
টাঙ্গাইলে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ আ. ন. ম. ইলিয়াস এ রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. ওমরাও খান দিলু জানান, ২০২৩ সালের ২২ জুন বিয়ের পাত্রী দেখানোর কথা বলে ভুক্তভোগী নারীকে জামালপুর থেকে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার দুখোলা বনাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে প্রথমে প্রধান আসামি আব্দুর রহিম এবং পরে আরও দুই আসামি তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগী মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত তথ্য পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেন।
রায়ে প্রধান আসামি আব্দুর রহিমকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইনের ৭ ধারায় তাকে আরও ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
এছাড়া অপর দুই আসামি শফিকুল ইসলাম শফি ও সামছুল হক সামছুকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের প্রত্যেককে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. ওমরাও খান দিলু। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. শাহানশাহ সিদ্দিকী মিন্টু।











