শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬
Khabar Bangla 24
No Result
View All Result
  • Login
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • অন্যান্য
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • দুর্যোগ ও দুর্ঘটনা
    • প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ
    • সংস্কৃতি ও বিনোদন
    • আইন আদালত
    • কৃষি ও কৃষক
    • সারাদেশ
  • টাঙ্গাইল জেলা
    • কালিহাতী
    • গোপালপুর
    • ঘাটাইল
    • টাঙ্গাইল সদর
    • দেলদুয়ার
    • ধনবাড়ী
    • নাগরপুর
    • বাসাইল
    • ভূঞাপুর
    • মধুপুর
    • মির্জাপুর
    • সখিপুর
আর্কাইভ
Khabar Bangla 24
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • অন্যান্য
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • দুর্যোগ ও দুর্ঘটনা
    • প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ
    • সংস্কৃতি ও বিনোদন
    • আইন আদালত
    • কৃষি ও কৃষক
    • সারাদেশ
  • টাঙ্গাইল জেলা
    • কালিহাতী
    • গোপালপুর
    • ঘাটাইল
    • টাঙ্গাইল সদর
    • দেলদুয়ার
    • ধনবাড়ী
    • নাগরপুর
    • বাসাইল
    • ভূঞাপুর
    • মধুপুর
    • মির্জাপুর
    • সখিপুর
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Khabar Bangla 24
Home ইতিহাস ঐতিহ্য

ক্ষমাই ছিল যিশুর মূল প্রেমের বাণী

ডিসেম্বর ২৫, ২০২০ — পৌষ ১১, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ — সময়: ১:৪৪ অপরাহ্ণ
in ইতিহাস ঐতিহ্য, ধর্ম
A A

ডেস্ক নিউজ : ২৫ ডিসেম্বর পালিত হয় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন বা হ্যাপি ক্রিসমাস ডে। বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বব্যাপী যে দিনটাকে সবচেয়ে বেশি মানুষ উদযাপন করে সেটি হচ্ছে বড়দিন। যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন।

আরও পড়ুন

কালিহাতীতে ঈদগাঁ মাঠের নাম পরিবর্তন নিয়ে সং’ঘ’র্ষ, ১৪৪ ধারা। আহত অন্তত ১৫

শবেকদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম যে রাত

ফিলিস্তিনের বেথেলহেমে এই দিনে এক জরাজীর্ণ গোয়ালঘরে জন্ম নিয়েছিলেন এক মহামানব যার নাম যিশু খ্রিস্ট।

তখন থেকেই খ্রীষ্টান ধর্মাবলম্বীরা এই দিনটিকে বড়দিন হিসেবে পালন করে আসছে। দেড় হাজার বছরের অধিক কাল ধরে পালিত হয়ে আসছে বড় দিন। ব্যাপক আড়ম্বরের মাধ্যমে দেশে দেশে এ দিনটি পালিত হয়।

সান্তা ক্লজের আবির্ভাব; ক্রিসমাস ট্রি; আলোক সজ্জা; উপহার; কেক; ঘুরাঘুরি; মজার খাবার; গীর্জায় প্রার্থনা এবং প্রিয়জনের সান্নিধ্যে কাটানো হয় দিনটি পরম আনন্দে। এটা খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।

বড়দিনের ইতিহাস :

ইতিহাস অনুযায়ী রোমান সাম্রাজ্যের সময় ৩৬৬ খ্রীষ্টাব্দে প্রথম বড়দিনের উৎসব পালন করা হয়। পোপ জুলিয়াস প্রথম আনুষ্ঠানিক ভাবে যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষে বড়দিন উৎসব পালন করার ঘোষণা দেন। সেই থেকে দেশে দেশে এই দিনটি পালন হয়ে আসছে; তবে এর আগে বড়দিনের উৎসব তেমন জাঁকজমকপূর্ণ ছিল না এবং তা ইউরোপের বাইরে ছড়ায়নি ।

মূলত মধ্যযুগের পরে একেবারে আধুনিক সময়ে বড়দিনের উৎসব বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

বলতে গেলে অনেকটা ঔপনিবেশিকতার হাত ধরে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে তা সার্বজনীন উৎসবে রুপ নিয়েছে।

ডিসেম্বর মাসের পঁচিশ তারিখ যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষে বড়দিন পালন করা হয়। তবে এদিনটি যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন কিনা তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মতে এই তারিখের ঠিক নয় মাস আগে মা মেরীর গর্ভে এক আলোক জ্যোতির মতো প্রবেশ করেন যিশু; সে হিসেবে ২৫ ডিসেম্বর তারিখটি যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন ধরা হয়।

যিশু খ্রিস্টের জন্ম :

খ্রিস্টান ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্টের জন্ম হয় অলৌকিক ভাবে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মতে যিশু খ্রিস্ট পৃথিবীতে মানুষ রুপে জন্ম নেন পৃথিবীর পাপাচার হতে মানুষকে মুক্তি দিতে; মানুষের মাঝে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করতে। বড়দিন এখন খ্রিস্টান ধর্ম ছাড়িয়ে সব ধর্ম বর্ণের মানুষের কাছে আবেদন সৃষ্টি করেছে।

অন্য তথ্যমতে এটি ঐতিহাসিক রোমান উৎসব। পবিত্র বাইবেলে যিশুর জন্মদিন সম্পর্কে পরিষ্কার কিছু উল্লেখ নেই। এর ইতিহাস জানতে যেতে হবে যিশু খ্রিস্টের জন্মের আগে মানব সভ্যতার গোড়ার দিকে।

রোম সাম্রাজ্যে ইউরোপের সবচেয়ে বড় উৎসব ছিল তাদের কৃষি দেবতা এবং শনি গ্রহের সম্মানে এক বিশেষ উৎসব।

এই উৎসব শীতের মাঝামাঝি সময়ে ২৫ ডিসেম্বর এর দিকে পালিত হতো; তখন রোম সাম্রাজ্যে সবকিছু বন্ধ থাকত কয়েক দিন। ধনী গরীব ছোট বড় সবাই ভেদাভেদ ভুলে যেতো।সে সময় অবশ্য যিশুর অনুসারীরা এ উৎসবকে বিধর্মী উৎসব বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

তখন ২৫শে মার্চকে মহান দিন হিসেবে ঠিক করা হতো। যে দিন স্বর্গ ও মর্তের স্রস্টা সর্বশক্তিমান ঈশ্বর তার মহাদূত গ্যাব্রিয়েলকে কুমারী মেরীর কাছে পাঠিয়ে এই সংবাদ দেন যে ঈশ্বরের ইচ্ছায় ও অলৌকিক ক্ষমতায় কুমারী মেরী গর্ভবতী হবেন এবং ঈশ্বরের পুত্রকে গর্ভে ধারণ করবেন। তার নাম রাখা হবে যিশু। কুমারী মেরী গর্ভবতী হওয়ার নয় মাস হিসেবে ২৫ ডিসেম্বর যিশুর জন্মদিন। ৩৩৬ খ্রীষ্টাব্দ হতে রোমান বর্ষপঞ্জিতে ২৫ ডিসেম্বরকে বড়দিন হিসেবে উৎযাপনের নির্দেশনা দেয়া হয় বলে জানা যায়। রোমান সাম্রাজ্যে খ্রিস্টধর্ম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করলে দিনে দিনে বড়দিন প্রাণ পেতে শুরু করে।

যিশু খ্রিস্টের মাহাত্ম্য :

দিন ও তারিখের মতভেদ থাকলেও যিশু খ্রিস্টের মাহাত্ম্য স্বমহিমায় উজ্জ্বল। যিশু যে প্রেমের বাণী, মানবতার বাণী উচ্চারণ করেছিলেন; তা আজো মানুষের চলার পথের দিশারী হয়ে কাজ করছে। ক্ষমাই ছিল যিশুর মূল প্রেমের বাণী। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তেও যিশু বলেছিলেন- পিতা ওরা জানে না ওরা কি করছে, ওরা অবুঝ ও অজ্ঞান। তুমি ওদের ক্ষমা করে দাও। যিশু বলেছিলেন– তোমার প্রতিবেশীর জন্য তাই কামনা কর যা তুমি নিজের জন্য চাও। তিনি বলতেন, সবাইকে ক্ষমা করো। তিনি বলতেন, যতক্ষণ সবাইকে তুমি ক্ষমা করবে না; ততক্ষণ পর্যন্ত তুমি স্বর্গে প্রবেশ করবে না। ঈশ্বর তাকেই ক্ষমা করেন; যে সবাইকে ক্ষমা করে। জন্মদিন মানে আগের ভুলগুলো শুধরে জীবনকে নতুন ভাবে সাজানো।

যিশুর জন্মদিন যেন প্রত্যেক খ্রিস্টানের জন্মদিন; এদিন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা নিজের এবং সকলের মুক্তি কামনা করে।

বিশ্বব্যাপী বড়দিন :

বিশ্বব্যাপী খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা বড়দিন উদযাপন করেন নানাভাবে। বর্তমান সময়ে গির্জায় উপাসনায় যোগ দেয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বড়দিনের আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো গৃহসজ্জা; আলোকে সজ্জা; ভোজ; উপহার আদান-প্রদান; চিত্রশিল্পে যিশুর জন্মদৃশ্য ফুটিয়ে তোলার ঐতিহ্য দীর্ঘ দিনের। এই দৃশ্যে মেরী, যোসেফ, শিশু যিশু, স্বর্গ দূত, মেষপালক থাকে।

বিভিন্ন দেশে পুতুল সাজানো হয়। সান্তা ক্লজ, ক্রিসমাস ট্রি জিঙ্গেল বেল, মোমবাতি, ক্যান্ডি কেন ইত্যাদি বড়দিনের অন্যতম অনুষঙ্গ।

আমাদের দেশে বড়দিন :

আমাদের দেশে বড়দিন আসে জব চার্ণক এর মাধ্যমে। ১৯৬৮ সালে ডিসেম্বর মাসে বিশেষ কাজ উপলক্ষে জব চার্ণক যাচ্ছিলেন হিজলি। হিজলী যাবার পথে হিজলী যাবার পথে সুতানুটি গ্রামে আসার পর জব চার্ণক দেখলেন ক্রিসমাস এর সময় প্রায় আসন্ন। তখন সেখানেই যাত্রা বিরতি করলেন; প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে প্রথানুযায়ী পালন করলেন ক্রিসমাস উৎসব।

সেই থেকে আমাদের এই উপমহাদেশে ক্রিসমাস উৎসব পালনের প্রথা শুরু হয়।

ক্রীসমাস ট্রি : বড়দিন মানেই ক্রিসমাস ট্রি। যে গাছটি বাহারি সব ফুল ফল রঙিন আলোকমালায় সাজানো হয়। ক্রিসমাস ট্রি হিসেবে যে গাছটি বেশি ব্যবহার হয় সেটা হল ফার গাছ। এটা দেবদারু জাতীয় গাছ। প্রকৃত গাছ ব্যবহার না করে এখনো অনেকে প্লাস্টিকের গাছ ব্যবহার করেন। প্রথম দিকে এটি শুধুমাত্র রাজ দরবারে ও চার্চের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। পরে এই প্রথা ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে। এই গাছের উপরে বিভিন্ন দ্রব্য এবং একটি তারা বা স্বর্গ দূত বসানো হয়।

এই স্বর্গ দূতটি বেথেলহেমে জন্ম নেয়া যিশু খ্রিস্টের প্রতীক।

ইতিহাস মতে, ষোল শতকে জার্মানিতে ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর প্রচলন শুরু করা হয়।

সান্তা ক্লজ : বড়দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুখ সান্তা ক্লজ; যিনি আসেন খুশির বার্তা নিয়ে। রাতে বাচ্চাদের জন্য দরজার সামনে উপহার আর চকলেট রেখে যান। বাচ্চারা তার সাথে নাচ গান করে। সান্তা ক্লজ বাচ্চাদের শুনায় যিশু খ্রিস্টের গল্প। সান্তা ক্লজের কিংবদন্তী শুরু হয় সেন্ট নিকোলাস নামক এক সন্ন্যাসীকে ঘিরে। এশিয়া মাইনর বা পাতারা নামক স্থানে ২৮০ সালে তার জন্ম হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। সততা আর দয়ার জন্য সবাই তাকে ভালবাসত। সম্পদশালী এই নিকোলাস গরীব দূঃখী আর অসহায় মানুষদের সাহায্য করতেন। তার মহানুভবতার কথা ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।

জিঙ্গেল বেল : জিঙ্গেল বেল বড় দিনের সুর বেঁধে দেয়। এই সুর বেঁধে সান্তা ক্লজ ২৪ এর রাতে আসে গিফটের ঝুলি নিয়ে। জিঙ্গেল বেল এক ধরনের সতর্ক ঘন্টা যা দোকানে দরজায় থাকে এবং ক্রেতার আগমন বার্তা দেয়। জিঙ্গেল বেল ছোট ক্লাসিক ঘন্টার বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বড়দিনের উৎসব যা যা হয় –

ভোজ বা খাবার : বড়দিন উপলক্ষে ইংল্যান্ড এ থাকে পারিবারিক পুডিং। সিসিলি অঞ্চলে ক্রিসমাসের পূর্ব সন্ধ্যায় যে ভোজের আয়োজন করা হয়; তাতে থাকে বারো রকমের মাছ।

ইংরেজ সংস্কৃতি সম্পন্ন দেশে বড়দিনের ভোজ সভায় দেখা যায় টার্কি, আলু, শাক সবজি মিন্স পাই, ফ্রুট কেক।

ইউরোপের অন্যান্য দেশ ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলে ভোজে মাছের প্রাধান্য থাকে এবূ সূ ভেড়ার মাংসও থাকে। জার্মান, অষ্ট্রিয়ি ও ফ্রান্সে হাঁস ও শূকরের মাংস জনপ্রিয়। ফিলিপাইন ভোজ সভায় প্রধান খাদ্য হাম। ক্রিসমাসের বিশেষ মিষ্টির মধ্যে জার্মূ স্টোলেন, মার্জিনাল কেক উল্লেখযোগ্য। উত্তরের দেশে কমলা লেবু বিশেষ খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

আলোক সজ্জা : ক্রিসমাসের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আলোক সজ্জা। উজ্জ্বল আলোক সজ্জার মাধ্যমে বাড়ি ঘর; গির্জা সাজানো হয় বড়দিন উপলক্ষে।

বড়দিন দিনে কাটা : খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা যিশুর জন্মদিনকে “ক্রিসমাস ডে” হিসেবে পালন করে। তবে আমাদের এ অঞ্চলে এই দিনটি বড়দিন হিসেবে পালন করা হয়। কেন এ দিনটাকে বড়দিন হিসেবে পালন করা হয়; এ সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিত ঘোষ বলেছেন- “মর্যাদার দিক থেকে এটা বড়; যিশু যেহেতু বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে ধর্ম-বর্ণ ও দর্শন দিয়ে গেছেন। বিশ্বব্যাপী বিশাল অংশের মানুষ তার দেয়া ধর্ম ও দর্শনের অনুসারী।

যিনি এত বড় ধর্ম ও দর্শন দিলেন পঁচিশ ডিসেম্বর তার জন্মদিন; সে কারণে এটাকে “বড়দিন” হিসাবে বিবেচনা করে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা।”

তিনি আরো বলেন, আঠারো ও উনিশ শতকে আমাদের এ অঞ্চলে ইউরোপীয়রা খ্রিস্টধর্ম প্রচার করে। বাঙালি খ্রিস্টানরা মনে করেন, যিশু তাদের ধর্ম দিয়েছেন; দর্শন দিয়েছেন; একারণে এ দিনটি বড়দিন হিসেবে বিবেচিত।

অন্যমতে, ক্রিসমাসকে বড়দিন বলার কারণ হলো, ২৩ ডিসেম্বর থেকে দিন ক্রমশ বড় আর রাত ছোট হতে থাকে; আর ২৫ ডিসেম্বর এসে দিনটি সবচেয়ে বড় হয়।

উপসংহার : আজকের দিনে যিশুর ক্ষমার বাণী আমাদের জন্য খুবই প্রয়োজন। সারা বিশ্ব ব্যাপী যে বিভেদের সুর বাজছে; তা থেকে বিরত থাকতে এবং বিভেদ বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে যিশুর বাণী আর বড়দিনের তাৎপর্য উপলব্ধি করা দরকার।

লেখক – এস ডি সুব্রত; সম্পাদনা – অলক কুমার

ফটো কার্ড
শেয়ার করুন
Tags: ক্ষমাই ছিল যিশুর মূল প্রেমের বাণীশুভ বড়দিন

বর্তমান প্রতিবেদনটির সাথে সম্পর্কিত

কালিহাতীতে ঈদগাঁ মাঠের নাম পরিবর্তন নিয়ে সং'ঘ'র্ষ, ১৪৪ ধারা। আহত অন্তত ১৫

কালিহাতীতে ঈদগাঁ মাঠের নাম পরিবর্তন নিয়ে সং’ঘ’র্ষ, ১৪৪ ধারা। আহত অন্তত ১৫

by নিজস্ব প্রতিবেদক
মার্চ ২১, ২০২৬ — চৈত্র ৮, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ — সময়: ২:৩০ অপরাহ্ণ
0

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের দিমুখা কেন্দ্রীয় ঈদগাঁ মাঠকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামসহ আশপাশের পাঁচ গ্রামের মানুষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এই ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। এলাকায়...

শবেকদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম যে রাত

শবেকদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম যে রাত

by নিজস্ব প্রতিবেদক
মার্চ ১১, ২০২৬ — ফাল্গুন ২৭, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ — সময়: ১২:২৫ অপরাহ্ণ
0

পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশকে মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ রাত হলো শবেকদর বা লাইলাতুল কদর। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম।...

মির্জাপুরে তাবলীগী মারকায মসজিদের নির্মাণকাজের উদ্বোধন

মির্জাপুরে তাবলীগী মারকায মসজিদের নির্মাণকাজের উদ্বোধন

by নিজস্ব প্রতিবেদক
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ — মাঘ ২৬, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ — সময়: ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
0

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তাবলীগী মারকায মসজিদ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাওয়ার কুমারজানী খামারপাড়া এলাকায় তিনতলা বিশিষ্ট আধুনিক এই মসজিদের নির্মাণকাজ উদ্বোধন...

ইবাদত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত

ইবাদত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত

by নিজস্ব প্রতিবেদক
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ — মাঘ ২১, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ — সময়: ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
0

যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগি, দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে এই পবিত্র রাত কাটাচ্ছেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মাগরিবের নামাজের পর...

নবীজির ঘোষণায় ভূমিকম্পে মৃত্যদের মর্যাদা

নবীজির ঘোষণায় ভূমিকম্পে মৃত্যদের মর্যাদা

by নিজস্ব প্রতিবেদক
নভেম্বর ২২, ২০২৫ — অগ্রহায়ণ ৮, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ — সময়: ১:৫৩ অপরাহ্ণ
0

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পের ঘটনায় ইসলামি শিক্ষাবিদরা সতর্ক করেছেন যে, ভূমিকম্প মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা এবং কিয়ামতের আলামতের অন্যতম মাধ্যম। পবিত্র কোরআনে এবং হাদিসে উল্লেখ আছে,...

Next Post
সখীপুরে পাবলিক টয়লেট জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ

সখীপুরে পাবলিক টয়লেট জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ

সর্বেশষ

জেমিনিতে এলো এআই ভিডিও তৈরি ও সম্পাদনার নতুন সুবিধা

জেমিনিতে এলো এআই ভিডিও তৈরি ও সম্পাদনার নতুন সুবিধা

জুন ৪, ২০২৬ — জ্যৈষ্ঠ ২১, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
নানাবাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে ডুবে প্রাণ গেল শিশুর

নানাবাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে ডুবে প্রাণ গেল শিশুর

জুন ৪, ২০২৬ — জ্যৈষ্ঠ ২১, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ৪:১১ অপরাহ্ণ
এবার লক্ষ্য মাংস রপ্তানি করা : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী টুকু

এবার লক্ষ্য মাংস রপ্তানি করা : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী টুকু

জুন ৪, ২০২৬ — জ্যৈষ্ঠ ২১, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ৩:৩১ অপরাহ্ণ
তীব্র গরমে পুড়ছে টাঙ্গাইল, তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

তীব্র গরমে পুড়ছে টাঙ্গাইল, তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

জুন ৪, ২০২৬ — জ্যৈষ্ঠ ২১, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ৩:১৪ অপরাহ্ণ
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের চার দিন পর মিন্টুর লাশ উদ্ধার

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের চার দিন পর মিন্টুর লাশ উদ্ধার

জুন ৪, ২০২৬ — জ্যৈষ্ঠ ২১, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ — সময়: ২:৫৩ অপরাহ্ণ

সর্বাধিক পাঠিত

    Khabar Bangla 24

    এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
    যোগাযোগ: ০১৯১১৪৫৯১৫১
    ই-মেইল:
    news@khabarbangla24.com

    Design & Developed by Tangail Web Solutions

    No Result
    View All Result
    • হোম
    • সর্বশেষ
    • বিশেষ সংবাদ
    • জাতীয়
    • ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি
    • রাজনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
    • অন্যান্য
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • দুর্যোগ ও দুর্ঘটনা
      • প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ
      • সংস্কৃতি ও বিনোদন
      • আইন আদালত
      • কৃষি ও কৃষক
      • সারাদেশ
    • টাঙ্গাইল জেলা
      • কালিহাতী
      • গোপালপুর
      • ঘাটাইল
      • টাঙ্গাইল সদর
      • দেলদুয়ার
      • ধনবাড়ী
      • নাগরপুর
      • বাসাইল
      • ভূঞাপুর
      • মধুপুর
      • মির্জাপুর
      • সখিপুর

    Design & Developed by Tangail Web Solutions

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In