টাঙ্গাইল সদর সংবাদ দাতা
টাঙ্গাইলের ডিসি লেককে পরিচ্ছন্ন ও আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দিতে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেছেন, একটি পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) টাঙ্গাইল ডিসি লেকে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিসি লেক শুধু একটি বিনোদনকেন্দ্র নয়, এটি টাঙ্গাইল শহরের সৌন্দর্য ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
পরিদর্শনকালে তিনি লেকের পানির অবস্থা, পরিবেশ ও চলমান পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে পুরো ডিসি লেক পরিষ্কার করা হবে। লেককে কেন্দ্র করে সরকারের সুস্পষ্ট উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে, যার লক্ষ্য এটিকে একটি আধুনিক ও মানসম্মত পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত করা।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে ডিসি লেক ও সংলগ্ন চর এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিসি লেককে একটি মিনি পর্যটনকেন্দ্র এবং চর এলাকাকে বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে টাঙ্গাইলে একটি আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। লেকটি উন্নয়ন করা গেলে টাঙ্গাইলবাসী একটি আধুনিক বিনোদনকেন্দ্রের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি লেকে মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যা স্থানীয় চাহিদা পূরণেও ভূমিকা রাখবে।
প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে লেকে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা জমতে না পারে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
এ সময় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ মানুষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন।











