টাঙ্গাইল সদর
,
সংবাদ দাতা
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের ব্যবহৃত ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা স্থাপনের অভিযোগে অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানার মামলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের বিচারক এসিজিএম গোলাম মাহবুব খান এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এদিন সকাল থেকেই টাঙ্গাইল আদালত চত্বরে জড়ো হতে থাকেন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অন্যান্য ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। একপর্যায়ে তারা একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত রায়হান কবির ইমনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দেন।
হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের কক্ষে অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন অন্য ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডের ৯০৭ নম্বর ওয়াশরুমে এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসক একটি স্পাই কলম ক্যামেরা দেখতে পান। তিনি সেটি বাইরে নিয়ে এলে রায়হান কবির ইমন ক্যামেরাটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং এ নিয়ে ধস্তাধস্তি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় তিনি ওই নারী চিকিৎসককে একটি কক্ষে আটকে রাখারও চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে কলম ক্যামেরাটি ভেঙে ফেলা হয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে হাসপাতালজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।











