সখিপুর
,
সংবাদ দাতা
টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন লাবিব গ্রুপের চেয়ারম্যান ও দেশীয় শিল্পপতি সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল। বহু বছর ধরে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত এই উদ্যোক্তা এলাকাজুড়ে নতুন আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি করেছেন।
স্থানীয়রা মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সখীপুর-বাসাইল অঞ্চলের উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে একজন সফল উদ্যোক্তার নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ব্যবসায়িক সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতার পাশাপাশি এলাকার মানুষের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততা, মসজিদ-মন্দিরে অনুদান, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো তাকে স্থানীয় জনগণের কাছে জনপ্রিয় করেছে।
রাজনৈতিকভাবে জটিল এই আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ইতোমধ্যেই মনোনয়ন বঞ্চিত কয়েকশ’ নেতাকর্মী তার পাশে মাঠে নেমেছেন। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব ও আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে কিছু নেতাকর্মী দল ত্যাগ করেছে।
সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। লাবিব গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি শিল্পবিস্তার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবসায়িক অবকাঠামো গড়ে তুলেছেন। ব্যবসার সাফল্যের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও তিনি গুরুত্ব দেন। তিনি অসহায় রোগীদের চিকিৎসায় সহায়তা দিয়েছেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য ৫ শতাধিক হুইলচেয়ার বিতরণ করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন।
সেখানেই শেষ নয়,
তিনি দুই উপজেলার ১৮ হাজার ছাতা বিতরণ, রাস্তা মেরামত, মন্দির ও মসজিদে অনুদান, ২ হাজার অসচ্ছল পরিবারের মাঝে মাংস বিতরণ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সফর, স্থানীয় ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে গাভীসহ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। সম্প্রতি শীতার্ত মানুষের মাঝে পর্যায়ক্রমে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন, যা পেয়েছেন অন্তত দেড় লাখ মানুষ।
পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা। স্থানীয়রা মনে করেন, সেই অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা তাকে নেতৃত্বে আরও সক্ষম করেছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, এমপি হলে কোনো বেতন-ভাতা নেবেন না এবং দুর্নীতির প্রমাণ মিললে এক ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করবেন।
শালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল বলেন, “জনগণ যদি চায়, আমি নির্বাচন করব। তবে নির্বাচন করি বা না করি, আমার সমাজসেবা অব্যাহত থাকবে। এগুলো কোনো ভোটের হিসাব নয়। জনগণ যাকে ভোট দেবেন, তার যোগ্যতা, মনোভাব, পারিবারিক পটভূমি ও জনসেবার অবদান বিবেচনা করে ভোট দেবেন।”











