ঘাটাইল
,
সংবাদ দাতা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, গত ১৬ বছরে কীভাবে তার পরিবার ও দল নির্যাতনের শিকার হয়েছে তা সবাই দেখেছে। এসব ঘটনা ভুলে গেলে সামনে আবারও বিপদ অপেক্ষা করছে এবং তখন আর পাশে থাকার সুযোগ থাকবে না।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ১১ দলীয় ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী সাইফুল্লাহ হায়দারের শাপলা কলি প্রতীকের নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, ভারত বাংলাদেশকে অবদমিত করে রাখতে চেয়েছে। তবে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই আগ্রাসী মনোভাব ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই পথসভা কেবল নির্বাচনী প্রচারণা নয়, এটি ঘাটাইলবাসীর অধিকার আদায়ের সংগ্রামের অংশ। ১১ দলীয় ঐক্যজোটের যে জনসমর্থনের ঢেউ তৈরি হয়েছে, তা ব্যালটের মাধ্যমেই প্রতিফলিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, জোটের ইশতেহারে বেসামরিক পর্যায়ের তরুণ প্রজন্মকে সামরিক বাহিনীর মতো প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শক্তিশালী করার কথা বলা হয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে জাতীয় পর্যায়ে এই ১১ দলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ইশতেহারে রয়েছে। পাশাপাশি শাপলা গণহত্যা ও বিডিআর গণহত্যার বিচার দেশেই সম্পন্ন করা হবে বলে জানান তিনি।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় নগদ টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। এসব টাকার বিনিময়ে ভোট বিক্রি করলে ভবিষ্যতে আবারও পরিবার হারানোর মতো দুঃখজনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, বিভিন্ন দল কৃষকদের ঋণ মওকুফসহ নানা প্রলোভন দেখাচ্ছে, কিন্তু আগামী প্রজন্মের ভাগ্য নির্ধারণ করবে এই গণভোট। তাই স্বচ্ছ, ইনসাফভিত্তিক ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিকল্প নেই।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ঘাটাইলবাসীকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
নির্বাচনী পথসভায় আরও বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও এনসিপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দার, জামায়াতে ইসলামী টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যক্ষ হোসনি মোবারক বাবুলসহ জোটের অন্যান্য স্থানীয় নেতারা।











