মির্জাপুর সংবাদ দাতা
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা সদর ও পৌর শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বারুখালি খাল এখন দখল ও দূষণে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। বংশাই ও লৌহজং নদীর সঙ্গে সংযোগকারী প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি ক্রমেই সরু হয়ে ড্রেনের রূপ নিচ্ছে।
মির্জাপুর বাজারসহ পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ডের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র জলাধার এই খাল। স্থানীয়দের আশঙ্কা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খাল পুনরুদ্ধার না হলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে জনদুর্ভোগ বাড়বে। একই সঙ্গে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ও গৃহস্থালি বর্জ্য ফেলায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে।
জানা গেছে, একসময় খরস্রোতা এই খালে সারাবছর নৌকা চলাচল করত। উপজেলার পাহাড়ি ও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ নৌকায় করে মির্জাপুর হাটে আসতেন। বর্ষাকালে দূরদূরান্ত থেকে রোগীরাও নৌপথে কুমুদিনী হাসপাতালে যাতায়াত করতেন। কিন্তু গত চার দশকে খালের দুই পাড় দখল করে পাকা স্থাপনা গড়ে ওঠায় এর প্রস্থ অনেক কমে গেছে।
মির্জাপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি গোলাম ফারুক দিদ্দিকী বলেন, শহরকে রক্ষা করতে হলে খালের সীমানা নির্ধারণ করে দ্রুত খনন ও সংস্কার করা জরুরি। অন্যথায় অদূর ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণ মারাত্মক আকার নেবে।
এ বিষয়ে পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক আজিজ জানান, লিখিত আবেদন পেলে খালটির সমস্যা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











