খবরবাংলা ডেস্ক :
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে সোমবার (১০ আগস্ট)। এবার পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছিলেন ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। তবে ফল প্রকাশের পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে আসন সংকটের আশঙ্কা নেই। বরং সব শিক্ষার্থী পাস করলেও দেশের বিভিন্ন কলেজ ও মাদরাসায় বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকবে।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশের কলেজ ও মাদরাসাগুলোতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে ২৬ লাখের বেশি। এর বিপরীতে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের কিছু বেশি। ফলে সবাই পাস করলেও উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য প্রয়োজনের তুলনায় আসন বেশি থাকবে।
এদিকে ফরম পূরণ করলেও অনেকে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নেননি। পরীক্ষার প্রথম দিন দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ২৫ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতেও অনেকে অনুপস্থিত থাকায় প্রকৃত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ফরম পূরণের সংখ্যার চেয়ে কম।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবছর একাদশ শ্রেণিতে কিছু আসন খালি থাকে। এবার কত আসন খালি থাকবে, তা মূলত ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। পাসের হার বেশি হলে খালি আসন কমবে, আর পাসের হার কম হলে খালি আসনের সংখ্যা বাড়বে।
তবে আসন পর্যাপ্ত থাকলেও রাজধানী ঢাকা, বিভাগীয় শহর এবং বিভিন্ন জেলার নামি কলেজগুলোতে ভর্তি নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতা হতে পারে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেশি থাকায় সীমিতসংখ্যক আসনের বিপরীতে বিপুল আবেদন জমা পড়ে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক শাখার এক কর্মকর্তা জানান, অনেক সময় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরাও একাধিকবার আবেদন করেও পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারে না। একই ফল করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিষয়ভিত্তিক নম্বরের পার্থক্যও ভর্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
তিনি শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে, আবেদনে কমপক্ষে পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দক্রমে রাখলে কাঙ্ক্ষিত কলেজে সুযোগ না পেলেও অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সম্ভাবনা বাড়বে।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











