মো: জিসান রহমান
,
মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্স (এফটিএনএস) বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ২ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য মিলনমেলা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
৫ ও ৬ই নভেম্বর (বৃহস্প্রতিবার ও শুক্রবার) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পুরো বিভাগ যেন এক উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানের ১ম দিনে অনুষ্ঠিত হয় স্মৃতিচারণ, ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার। সাবেক শিক্ষার্থীরা তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের মধুর স্মৃতিগুলো তুলে ধরেন এবং নবীনদের ক্যারিয়ার গঠন, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। বক্তব্যে তিনি বলেন, “অ্যালামনাইরা যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাণ। কর্মক্ষেত্রে অ্যালামনাইদের সাফল্য ও অবদান বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করে। সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের এমন মেলবন্ধন বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক ও গবেষণামূলক অগ্রগতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে।”
অনুষ্ঠানের ২য় দিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে এক আনন্দ শোভাযাত্রা (র্যালি) বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভাগের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর বেলুন উড়িয়ে ও কেক কেটে দুই দিনব্যাপী আয়োজনের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মাভাবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো: আনিছুর রহমান। অ্যালামনাইদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ, আপনাদের যেকোনো অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আপনাদের পাশে থাকবে। পাশাপাশি আপনারা শিক্ষার্থীদের যেকোনো বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবেন বলে আমরা আশাবাদী।”
বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আমন্ত্রিত শিল্পী ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে বলে আশাবাদী সবাই।
পুরো আয়োজন জুড়েই ছিল পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, ছবি তোলা আর খোশগল্পের আমেজ। দীর্ঘদিন পর ক্যাম্পাসে ফিরতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। চমৎকার এই আয়োজন সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য অনুষ্ঠানের সদস্য সচিব ড. মো: জাহাঙ্গীর আলম বিভাগের শিক্ষক ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই অনুষ্ঠান সফল করার পিছনে সকলের সমান অবদান রয়েছে। আশা করছি এই মিলনমেলা আমাদের নতুন দিগন্তের সূচনা করবে পাশাপাশি সবাইকে সফলতার দিকে ধাবিত করবে।”











