খবরবাংলা ডেস্ক :
সাবেক উপমন্ত্রী, পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ মো. আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দেওয়া এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।
শোকবার্তায় তারেক রহমান বলেন, আব্দুল হাই ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ। গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর অবিচল আস্থা ছিল এবং তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন পরীক্ষিত সৈনিক ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং জনগণের সঙ্গে দলের সম্পর্ক সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে আব্দুল হাইয়ের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অবদানের কথা স্মরণ: বিএনপির রাজনীতিতে আব্দুল হাইয়ের অবদান তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দেশের বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি ছিলেন রাজপথের অন্যতম বিশ্বস্ত সৈনিক।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর দৃঢ় অবস্থান ও রাজনৈতিক অবদান বিএনপির নেতাকর্মীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও শোকবার্তায় উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে বিএনপি একজন অভিজ্ঞ, ত্যাগী ও আদর্শনিষ্ঠ নেতাকে হারিয়েছে। তাঁর মৃত্যু দেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু: মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ মো. আব্দুল হাই বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
তিনি সাবেক উপমন্ত্রী ও পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ছিল বলে শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











