টাঙ্গাইল সদর সংবাদ দাতা
টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধানের উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিরলসভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। বৈরী পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইল আঞ্চলিক কার্যালয়ে আয়োজিত দিনব্যাপী “আধুনিক ধান উৎপাদন প্রযুক্তি” বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মির্জা আশফাকুর রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কৃষিকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে ব্রি’র বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মাঠ পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।
প্রশিক্ষণ শেষে এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে অংশগ্রহণকারী কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে ধানের বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করা হয়।
প্রকল্প পরিচালক ড. আনোয়ার হোসেন জানান, সারাদেশে এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ৬টি স্যাটেলাইট স্টেশন এবং ১৫টি প্রযুক্তি গ্রাম স্থাপন করা হয়েছে। ধান চাষে যান্ত্রিকীকরণ, আলোকফাঁদসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ধনবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যার মাধ্যমে ধানের উৎপাদন কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল আঞ্চলিক কার্যালয়ের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান ড. মসউদ ইকবাল, এলএসটিডি প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আদিবা আফরিন রিম, ব্রি’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বিল্লাল হোসাইন, পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষক-কৃষাণীরা।
দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে মোট ৪০ জন কৃষক-কৃষাণী অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে অতিথিরা ধনবাড়ী পৌরসভার কিশামত ধনবাড়ী এলাকায় স্থাপিত প্রযুক্তি গ্রামের বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম ও মাঠ প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।











