নিজস্ব প্রতিবেদক :
চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতা থাকলে সীমিত জনবল নিয়েও রোগীদের আরও ভালো স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।
শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যার যার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। আজকের সভায় হাসপাতালের জনবল, নিরাপত্তা, পানিসহ বিভিন্ন সমস্যার বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে আমরা কাজ করব। তবে সীমাবদ্ধতার মধ্যেও চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে একটি ফ্যাসিস্ট সরকার মানুষের মানবিক সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়নি। তবে বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত স্বাস্থ্যখাতের খোঁজখবর রাখছেন এবং জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, জনগণ আমাদের নির্বাচিত করেছে। তাই জনগণ যেন সঠিক স্বাস্থ্যসেবা পায়, তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। চিকিৎসকরা যদি আরও একটু সিরিয়াস হন তাহলে বর্তমান জনবল দিয়েই এই হাসপাতালে আরও উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব।
তিনি বলেন, অনেক চিকিৎসক সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একাধিক বেসরকারি ক্লিনিকে সম্পৃক্ত থাকেন। এতে অনেক সময় সরকারি দায়িত্ব পালনে আগ্রহ কমে যায়। অথচ চিকিৎসা পেশা সমাজের সবচেয়ে সম্মানজনক ও মানবসেবামূলক পেশাগুলোর একটি। তাই চিকিৎসকদের দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব ও মানবিকতা নিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই হাসপাতাল যেন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় এবং সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন ফকির)।
সভায় বক্তব্য ও উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান, জেলা প্রশাসক শরীফা হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নূরুল আমিন মিঞা, সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও স্থানীয় বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ











