নিজস্ব প্রতিবেদক : সারা বাংলাদেশের মতো টাঙ্গাইলেও ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধভাবে গড়ে উঠছে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
গত বুধবার (২৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে
সেখানে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অবৈধ সব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তারাই ধারাবাহিকতায় গতকাল ২৮ মে (শনিবার) থেকে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন জেলার অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ করতে অভিযান শুরু করেছে।
আরো পড়ুন – ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সকাল সাড়ে এগারোটা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত অভিযানে ক্লিনিকগুলোতে কোন বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাৎক্ষনিক বন্ধ ঘোষণা করে চারটি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়।
এছাড়া একটি ক্লিনিক মালিককে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সিলগালাকৃত ক্লিনিকগুলো হচ্ছে, আশেকপুর চক্ষু হাসপাতাল, রোকেয়া ক্লিনিক, করটিয়া ডিজিটাল ক্লিনিক ও মিতালী ক্লিনিক।
এছাড়া ১৫ দিনের সময় দিয়ে খিদমাহ স্পেশালাইজড হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আরো পড়ুন – টাঙ্গাইলে অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান; ৪টি সিলগালা, তিনটিতে জরিমানা
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন জানান, কোন বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৪টি ক্লিনিককে সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়া আরেকটি ক্লিনিককে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনার পরিচালক ডাক্তার শরিফুল ইসলাম ও জেলা সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তারা। সম্পাদনা – অলক কুমার