কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, ড. ইউনুস আপনি যদি মুক্তিযোদ্বার পক্ষে হয়ে থাকেন, তাহলে লতিফ সিদ্দিকীকে যখন বলা হয়েছে- লতিফ সিদ্দিকীর দুই গালে জুতা মারো তালে তালে; তখনি ড. ইউনুস আপনার দুই গালেও জুতা মারা হয়েছে। আর যদি মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে থাকেন তাহলে এই রকম হওয়ার কথা ছিলো না। মুক্তিযোদ্ধা করে যদি পাকিস্তানের কাছে অত্যাচারিত হতে হয় তাও শান্তি কিন্তু বাংলাদেশে পাকিস্তানি মনোভাব নিয়ে পোলাপান জন্ম নিলো কিভাবে?
সেনা প্রধানকে উদ্দেশ্য করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ওয়াকার সাহেবকে আমি ভালো ভাবে চিনিনা, তবে আগে তার গ্রামে অনেক সময় কাটিয়েছি। সেনাবাহিনী অনেক গর্বের, অন্য দেশে সেনাবাহিনী পরে হয়, কিন্তু আমাদের দেশে সেনাবাহিনী আগে হয়েছে। হাসিনা হঠাও আন্দোলনে সেনাবাহিনী যে ভূমিকা রেখেছে তা হাজার বছর মনে রাখবে। কেউ কেউ বলছে ক্যান্টনমেন্ট পুড়িয়ে দিবে, তাদের দেখে নিন আপনি। আমি গত ৫ আগষ্ট সেনা প্রধান আপনি বলেছিলেন, আপনাকে ভরসা করতে, দেশ হিফাজত করবেন? কিন্তু আজ কোথায় হেফাজত? ৭১ মঞ্চের অনুষ্ঠানে যারা মব করেছে, তারা অপরাধী না? যারা ভাংতে গেছে তারা অপরাধী? আপনি দেখেন না, কে অপরাধী? ২৬ বছর যাবত কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও একই সাথে জেলে গেছে। আর কোটা আন্দোলনের কারণে শেখ হাসিনার বিদায় হয়নি, আল্লাহর গজবের কারণে হাসিনার বিদায় হয়েছে।
শনিবার বিকালে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কাদেরিয়া বাহিনীর উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ৭১ সালে যেমন সবাই একত্রে হয়েছিলাম, ঠিক তেমনি ভাবে ২৬ সালেও আমরা ঐকবদ্ধ থাকবো, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
কোম্পানী কমান্ডার ফজলুল হক বীর প্রতীকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন কাদেরিয়া বাহিনীর কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম, কোম্পানি কমান্ডার হুমায়ুন বাংগাল, বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর ছোট ভাই ও কালিহাতি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, ঘাটাইল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডারের আহবায়ক আতিকুর রহমান সহ মুক্তিযোদ্ধা ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতাকর্মীরা।