খবর বাংলা ডেস্ক :
বিশ্বকাপে না খেলতে পারার দীর্ঘ অপেক্ষা কি এবার শেষ হবে ইতালির? আজ্জুরিদের সেই স্বপ্ন পূরণের পথে শেষ বাধা বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা। জেনিকার বিলিনো পোলজে স্টেডিয়ামে আজ রাতের ম্যাচে জয় পেলেই বিশ্বকাপ মঞ্চে ফেরার পথ খুলবে ইতালির, আর হারলেই টানা আরেকটি আসর দেখতে হবে দর্শক হয়ে।
বসনিয়ার মাঠে জয়ই এখন একমাত্র লক্ষ্য ইতালির। কোচ জেনারো গাত্তুসোও ম্যাচটিকে ‘এভারেস্ট জয়ের’ মতো কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। নর্দান আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর তিনি বলেন, বিশ্বকাপের পথে তারা এখনো অনেকটা পথ পাড়ি দিতে বাকি, সামনে বড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।
বিশ্ব ফুটবলে গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে ইতালির। ব্রাজিল ছাড়া টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব আর কোনো দলের নেই। ১৯৫৮ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত নিয়মিত অংশ নেওয়া ইতালি সর্বশেষ দুটি বিশ্বকাপে খেলতে পারেনি, যা তাদের জন্য বড় ধাক্কা ছিল।
এবার সেই হতাশা কাটিয়ে বিশ্বকাপে ফেরার লক্ষ্যে বসনিয়ায় যাচ্ছে চারবারের চ্যাম্পিয়নরা। গাত্তুসো পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, খেলার ধরন নয়, তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয়।
এই ম্যাচে জিততে পারলে ইতালি ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘বি’-তে জায়গা করে নেবে, যেখানে রয়েছে সহ-আয়োজক কানাডা, ইউরোপের সুইজারল্যান্ড এবং ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক কাতার।
তবে প্রতিপক্ষ বসনিয়াকেও হালকাভাবে নিচ্ছে না কেউ। কোচ সের্গেই বারবারেজ দলকে প্রস্তুত থাকার বার্তা দিয়েছেন। ওয়েলসকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর তাদের আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে।
ওই ম্যাচের পর ইতালির কয়েকজন খেলোয়াড়ের উদযাপনকে অসম্মানজনক হিসেবে দেখছে বসনিয়া। সাবেক তারকা মিরালেম পিয়ানিচ বলেছেন, বসনিয়া ইতালির জন্য প্রস্তুত হয়ে অপেক্ষা করছে।
ইতালির কিংবদন্তি গোলরক্ষক দিনো জফও সতর্ক করে দিয়েছেন, এমন আচরণ প্রতিপক্ষকে আরও উজ্জীবিত করতে পারে।
বসনিয়ার অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড এডিন জেকো ইতালিকে ফেভারিট মানলেও নিজেদের সম্ভাবনার কথা ভুলছেন না। তার মতে, বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া তাদের জন্য বড় অর্জন হবে।
এদিকে ম্যাচের রেফারি হিসেবে ফরাসি ক্লেমেন্ট টারপিনের নাম ঘোষণাও ইতালির জন্য অশুভ স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে। চার বছর আগে নর্থ মেসিডোনিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার ম্যাচেও দায়িত্বে ছিলেন এই রেফারি।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











