নিজস্ব প্রতিবেদক :
শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসবেন না, তবে দিল্লিতে বসে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করবেন বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান এমপি।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখিপুর ডাকবাংলো চত্বরে উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে’ এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে আহমেদ আযম খান বলেন, “জানি শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসবেন না, কিন্তু বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য দিল্লিতে বসে ষড়যন্ত্র করবেন।”
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এই সংকট তৈরি করেনি। তার দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই গ্যাস সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সরকার সংকট নিরসনে আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা অনেকটাই সমাধান হবে। আর দুই বছরের মধ্যে এ সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। আহমেদ আযম খান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। উনার পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং উনাদের উত্তরসূরী তারেক রহমান জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছেন। উনার ভাষণ সারা বিশ্বে সমাদৃত হয়েছে।”
জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি। তার দাবি, বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের ভাষা একই এবং তারা রাতের আঁধারে আঁতাত করেছে। ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ একসঙ্গে নির্বাচন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সমাবেশে সখিপুর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন মাস্টারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন মন্ত্রীর সহধর্মিণী নার্গিস সিদ্দিকা, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম, সহসভাপতি আকবর হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মু. কবির হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক ছবুর রেজা ও মীর হাশেম আজাদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ একাব্বর হোসেনসহ অনেকে।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।











