নিজস্ব প্রতিবেদক :
টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আহমেদ আজম খান কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন? তা নিয়ে চলছে নানান রকম বিশ্লেষণ। দলীয় কোরামের নেতাদের পক্ষে বিপক্ষের মন্তব্য। তবে ইতিমধ্যে টাঙ্গাইলের “টক অব দ্যা সিটি”তে পরিণত হয়েছে আহমেদ আজমের মন্ত্রীত্ব পাওয়ার বিষয়টি। জেলাবাসী উচ্ছাস প্রকাশ করছেন। তাদের মধ্যে জেগেছে আরো নতুন আশা। আহমেদ আজমের মন্ত্রীত্ব পাওয়ার পর জেলায় মন্ত্রী এখন তিন জন।
সরকার গঠনের পর প্রথম গঠিত মন্ত্রী পরিষদে- টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (যিনি এলাকায় স্বপন ফকির নামেই সমধিক পরিচিত) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তখন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কৃষি মন্ত্রণালয়; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দিন একজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী যথাক্রমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় তাদের মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিতে হয়। সেই স্থানে মন্ত্রিসভার নতুন সদস্য হিসেবে আহমেদ আজমের নাম ঘোষণা করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন টাঙ্গাইল ৮ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ আজম খান। তাকে শপথ পড়ান প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা সাড়ে ১২টার পর জাতীয় সংসদে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে এই শপথ পড়ানো হয়।
এর আগে বেলা ১১টায় শুরু হয় অধিবেশন। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সভাপতি নির্বাচিত করা হয় খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। এছাড়া মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ফলে ওই দুটি মন্ত্রণালয় শূণ্য হয়ে যায়। তার পরই এই দুইজনকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ানো হয়।
২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গত ১৭ এপ্রিল সরকারের দায়িত্ব পালনের শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় এবং নতুন একজন মন্ত্রী শপথ নেওয়ায় সরকারের আকার দাঁড়াল ৪৯ জনে।
দলীয় অবস্থান-
উল্লেখ্য, আহমেদ আযম খান দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বিএনপির ভাইস চে্য়এরম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ধারণা করা হচ্ছে এই দুইজনকেই ওই দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হবে। তবে তাকে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হবে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।











