খবরবাংলা ডেস্ক :
ভারতের দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ দলটির নেতাদের আটকের ঘটনায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের সমালোচনা করেছেন আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পৃথক পোস্টে তারা এ ঘটনার নিন্দা জানান এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করেন। রাহুল গান্ধী বর্তমান সরকারেরও পদত্যাগ দাবি করেছেন।
কেজরিওয়াল তাঁর পোস্টে লেখেন, “এখন আনুষ্ঠানিকভাবেই বলা যায়, আমরা মোদির চরম স্বৈরশাসনের মধ্যে আছি।” উড়োজাহাজ থেকে নামার আগেই সিজেপি নেতাদের আটক করাকে তিনি সরকারের ভয়ের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন।
পোস্টে কেজরিওয়াল আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ আড়াল করতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গণতন্ত্রকে দুর্বল করতে চাইছেন। তিনি জ্ঞানেশ কুমার ও মোদির পদত্যাগের দাবিও জানান। তবে এগুলো কেজরিওয়ালের রাজনৈতিক বক্তব্য ও অভিযোগ।
অন্যদিকে, শনিবার সকালে এক্সে দেওয়া পোস্টে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী লেখেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে বিদায় নিতে হবে। এই সরকারকেও বিদায় নিতে হবে। এর পরই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হবে।”
উল্লেখ্য, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেয় সিজেপি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিক্ষোভের আগে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











