খবরবাংলা ডেস্ক :
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঘোষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নে নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে। বেতন কমিশনের সুপারিশ, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট এবং বিভিন্ন ভাতার কাঠামো সমন্বয় করতে কাজ করছে সচিব কমিটি।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে স্কেলে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের বর্তমান পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাবেন।
সরকার দ্রুত নবম জাতীয় পে স্কেলের সুপারিশ মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বহাল রাখা হবে। পঞ্চম গ্রেডে ৪ শতাংশ, তৃতীয় ও চতুর্থ গ্রেডে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং দ্বিতীয় গ্রেডে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রথম গ্রেডের ইনক্রিমেন্ট আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হবে।
সরকার পরিচালিত এক জরিপে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ সরকারি চাকরিজীবী, ৬১ হাজার ৫০০ সাধারণ নাগরিক এবং ৩ হাজার ৫১৩টি প্রতিষ্ঠানের প্রধান অংশ নেন। জরিপে অধিকাংশ অংশগ্রহণকারী মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইনক্রিমেন্ট নির্ধারণের পক্ষে মত দেন।
বেতন কমিশনের সুপারিশে প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে সচিব কমিটি প্রথম গ্রেডের মূল বেতন দেড় লাখ টাকা নির্ধারণ এবং সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৭.৫ রাখার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
বর্তমানে ২০তম গ্রেডের একজন সরকারি কর্মচারী বেতন-ভাতা মিলিয়ে ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা পান। নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে তা বেড়ে প্রায় ৪১ হাজার ৯০৮ টাকায় পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি যাতায়াত, টিফিন, ধোলাই ও ঝুঁকিভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা বাড়ানোরও প্রস্তাব রয়েছে।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











