খবরবাংলা ডেস্ক :
দীর্ঘদিন পর ব্রাজিল জাতীয় দলে ফেরা নেইমারকে নিয়ে বড় আশা দেখছেন দেশটির কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদো নাজারিও। তার বিশ্বাস, নকআউট পর্বে সুযোগ পেলে নেইমারই হতে পারেন ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ম্যাচ উইনার এবং মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই সমালোচকদের জবাব দেবেন।
বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে সোমবার জাপানের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে ফরাসি সংবাদমাধ্যম লেকিপ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোনালদো বলেন, বর্তমান ব্রাজিল দলে নেইমারের মতো ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার সামর্থ্য আর কোনো ফুটবলারের নেই।
প্রায় তিন বছর আগে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে এসিএল চোটে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার। পুনর্বাসন শেষে এবারের বিশ্বকাপ দলে ফিরলেও হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি।
তবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে প্রায় ৯৮১ দিন পর আবারও ব্রাজিলের জার্সিতে খেলেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। সেই ম্যাচে খেলেই ব্রাজিলের ইতিহাসে চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার কীর্তি গড়েন তিনি। এর আগে এই তালিকায় ছিলেন জালমা সান্তোস, কাফু ও পেলে।
রোনালদো বলেন, “নেইমারই এই দলের সবচেয়ে বড় ম্যাচ উইনার। সে এখন পুরোপুরি ফিট এবং চিকিৎসকদের ছাড়পত্রও পেয়েছে। তাই তাকে ব্যবহার করার সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। আমি বিশ্বাস করি, সে মাঠে নেমে সব সমালোচকের মুখ বন্ধ করে দিতে পারবে।”
২০০২ বিশ্বকাপে গুরুতর চোট কাটিয়ে ফিরে ব্রাজিলকে শিরোপা জেতানো রোনালদো নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “আমি নিজেও এমন প্রত্যাবর্তনের অভিজ্ঞতা পেয়েছি। তাই নেইমারের জন্য আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত। ৩৪ বছর বয়সে তার প্রতিভা নিয়ে আর কিছু প্রমাণ করার নেই। তবে আমি চাই, সে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সবাইকে ভুল প্রমাণ করুক।”
যদিও এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আক্রমণভাগে সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। চার গোল করে তিনি গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে রয়েছেন। এরপরও রোনালদোর বিশ্বাস, নকআউট পর্বে নেইমারের অভিজ্ঞতা, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বই ব্রাজিলকে অনেক দূর এগিয়ে নিতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, স্পেন ও জার্মানি এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী। তবে ব্রাজিলের সামর্থ্য নিয়েও তার কোনো সন্দেহ নেই। আর সেই স্বপ্ন পূরণে নেইমার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে মনে করেন তিনি।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











