খবর বাংলা ডেস্ক :
নারীরা প্রায়ই ইউরিনারি ট্র্যাক্ট বা প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে ভোগেন। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, বাইরে বাথরুম ব্যবহার বা শরীরের স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কারণে ইউটিআই বা ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন দেখা দিতে পারে। তবে শুধু নারীরাই নয়, পুরুষদেরও গোপনাঙ্গে সংক্রমণ হতে পারে, যা শারীরিক অস্বস্তি এবং জটিলতার কারণ হয়। সাধারণত এসব সংক্রমণ ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাসের মাধ্যমে ছড়ায়।
অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় উঠে এসেছে, ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন হলে শুধুমাত্র নারীর চিকিৎসা যথেষ্ট নয়। সংক্রমণ পুনরায় দেখা দিতে পারে যদি তার সঙ্গী চিকিৎসা না নেন। বিশেষ করে বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়, কারণ যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে প্রতি তিনজন নারীর মধ্যে একজন জীবনের কোনো না কোনো সময় ভ্যাজাইনাল ইনফেকশনের শিকার হন। ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসে আক্রান্ত নারীদের অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে এক সপ্তাহের মধ্যেই সংক্রমণ ফিরে আসে। কারণ, সংক্রমণ ঘটানো ব্যাকটেরিয়া পুরুষের শরীরেও থাকতে পারে, বিশেষ করে ত্বক ও মূত্রনালীর মধ্যে।
৮১টি দম্পতির ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, যদি দুই জন একসাথে চিকিৎসা নেন, সংক্রমণ পুনরায় হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় এবং সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব হয়। সাধারণত নারীদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়, আর পুরুষদের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম ব্যবহার করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এক সপ্তাহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে।
গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের সংক্রমণে লজ্জা না পেয়ে উভয় পক্ষেরই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। একসাথে চিকিৎসা নেওয়াই পুনরাবৃত্ত সংক্রমণ প্রতিরোধের সেরা উপায়।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











