খবর বাংলা ডেস্ক :
এখন চলছে আমের মৌসুম। বাজারে চারদিকে ভরে গেছে নানা জাতের পাকা ও কাঁচা আম। ব্যাগভর্তি করে আম কিনে অনেকে ঘরে এনে সরাসরি ফ্রিজে রেখে দেন। তবে এই অভ্যাসে আমের স্বাদ ও গন্ধ নষ্ট হয়ে যায় বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।
অনেকেই একসঙ্গে কয়েক কেজি আম কিনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন, যা পাকা ও কাঁচা—দুই ধরনের আমের ক্ষেত্রেই ক্ষতিকর হতে পারে। সঠিক নিয়ম না মানলে আম টাটকা থাকার বদলে তার স্বাভাবিক স্বাদ ও গঠন নষ্ট হয়ে যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকা আম সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সরাসরি ফ্রিজে না রেখে আগে পলিথিন সরিয়ে খবরের কাগজ বা মোটা কাগজে মুড়িয়ে সাধারণ ফ্রিজে রাখতে হবে। এতে আম ৫ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে।
পাকা আম দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য খোসা ছাড়িয়ে ছোট কিউব করে এয়ারটাইট জিপলক ব্যাগে ডিপ ফ্রিজে রাখা যেতে পারে। এভাবে ৬ মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত আম সংরক্ষণ করা সম্ভব।
আরেকটি পদ্ধতি হলো পাকা আম ব্লেন্ডারে পেস্ট করে আইস কিউব ট্রেতে জমিয়ে রাখা। পরে কিউবগুলো জিপলক ব্যাগে রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী স্মুদি বা জুস তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।
কাঁচা আম সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি। পুরোপুরি কাঁচা আম ফ্রিজে রাখলে তা আর পাকে না। কম তাপমাত্রার কারণে পাকার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় বা বন্ধ হয়ে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আম যখন হাত দিয়ে টিপলে নরম লাগে এবং বোঁটার কাছে মিষ্টি ঘ্রাণ পাওয়া যায়, তখনই তা সংরক্ষণের উপযোগী হয়। পাকা আম হলে সেটি দ্রুত খাওয়া বা সঠিকভাবে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিত।
ফ্রিজে রাখলে অনেক সময় আমের সুগন্ধ ও মিষ্টি স্বাদ কমে যায় এবং টেক্সচার নষ্ট হয়ে যায়। অন্যদিকে কাঁচা আম ঘরের তাপমাত্রায় শুকনো জায়গায় রাখলে স্বাভাবিকভাবে পাকতে পারে।
বাজার থেকে খুব বেশি পাকা আম না কিনে অল্প পাকা আম কিনে ঘরে স্বাভাবিকভাবে পাকিয়ে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো উপায় বলে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।











