খবরবাংলা ডেস্ক :
দেশজুড়ে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে বন্যা ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে কক্সবাজারে ২৮ জন, চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জন রয়েছেন। আহতদের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে ২ জন এবং খাগড়াছড়িতে ১ জন রয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে। এর প্রভাবে দেশের অধিকাংশ এলাকায় দফায় দফায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হবে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং খুলনা বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, টানা বর্ষণে রাজধানী ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা গত ১৭ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৯ সালে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছিল।
এ ছাড়া দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কায় দেশের ১৯টি নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











