খবরবাংলা ডেস্ক :
বাংলাদেশ পুলিশে আরও ১০ হাজার ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ১৭তম গ্রেডে ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল পদ সৃষ্টির প্রস্তাব পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতামতসহ প্রস্তাবটি বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। পরবর্তী অনুমোদনের জন্য এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাব অনুযায়ী ধাপে ধাপে ৮ হাজার ৫০০ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৫০০ জন নারী কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে।
কনস্টেবলের সংখ্যা বাড়বে প্রস্তাব অনুমোদিত হলে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবলের সংখ্যা ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৫৮ থেকে বেড়ে ১ লাখ ৪০ হাজার ৬৫৮-এ পৌঁছাবে। বর্তমানে কনস্টেবল থেকে মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) পর্যন্ত ক্যাডার, নন-ক্যাডার ও সিভিল পদ মিলিয়ে মোট অনুমোদিত পদ রয়েছে ২ লাখ ৭ হাজার ৯২০টি।
যা বলছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন, পুলিশ ও অর্থ) মোহাম্মদ আবু নঈম জানান, পুলিশ সদর দপ্তরের পাঠানো প্রস্তাব বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর নতুন পদ সৃষ্টি হবে এবং এরপর নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করবে পুলিশ সদর দপ্তর।
কেন বাড়ানো হচ্ছে জনবল পুলিশ সদর দপ্তরের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমান জনবল দিয়ে সময়মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছানো, নিয়মিত টহল, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং সদস্যদের ছুটি ও কল্যাণ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
এছাড়া নৌ পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, পিবিআই, শিল্প পুলিশ, এপিবিএন, এমআরটি ও অন্যান্য বিশেষায়িত ইউনিটে প্রয়োজনীয় জনবলও এখনো অনুমোদিত হয়নি।
পুলিশ-জনসংখ্যা অনুপাত প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রতি ৮৬৬ জনের বিপরীতে একজন পুলিশ সদস্য রয়েছে। অথচ জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী শান্তিকালে আদর্শ অনুপাত ৪০০ জনে একজন পুলিশ সদস্য।
নিয়োগে লাগতে পারে এক বছর পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, নতুন পদ অনুমোদনের পর নিয়োগ সম্পন্ন করতে প্রায় ছয় মাস এবং প্রশিক্ষণ শেষ করতে আরও ছয় মাস সময় লাগবে। অর্থাৎ পুরো নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া শেষ হতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











